১৯৯১ সালের এই দিনে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘গোর্কি’র আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের উপকূলীয় জনপদ। দীর্ঘ ৩৫ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই রাতের বিভীষিকাময় স্মৃতি আজও স্বজনহারা মানুষের মনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে। ঘূর্ণিঝড়টি ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ মাইলের বেশি গতিবেগে চট্টগ্রাম ও এর পার্শ্ববর্তী উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হেনেছিল, যা কেড়ে নিয়েছিল লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ এবং ধ্বংস করেছিল কোটি মানুষের স্বপ্ন।
তৎকালীন সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ দুর্যোগে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৮২ জনের মৃত্যু হলেও বেসরকারি হিসেবে নিহতের সংখ্যা ছিল দুই লক্ষাধিক। ১৯টি জেলার ১০২টি উপজেলা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের সম্পদ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সংকেত প্রচারের সীমাবদ্ধতা এবং সচেতনতার অভাবকে সেই ভয়াবহ প্রাণহানির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আজও উপকূলীয় অনেক এলাকা অরক্ষিত থাকায় ঘূর্ণিঝড় মৌসুম এলেই স্থানীয়দের মনে সেই পুরনো আতঙ্ক ফিরে আসে।
রিপোর্টারের নাম 

























