ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সিরাজগঞ্জে ফুলজোড় নদীর তীর থেকে অটোভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ফুলজোড় নদীর পাশ থেকে জাহের আলী আকন্দ (৬০) নামে এক অটোভ্যান চালকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে সলঙ্গা থানার কালিকাপুর এলাকা থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত জাহের আলী আকন্দ সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ফুলজোড় নদীর কালিকাপুর এলাকায় একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে সলঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

নিহতের ছেলে বাবু জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যায় তার বাবা অটোভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন এবং এরপর আর ফিরে আসেননি। সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে তিনি বাবার মৃতদেহের সন্ধান পান।

সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম উদ্দিন জানিয়েছেন, নিহতের পেশা ছিল অটোভ্যান চালক। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা না গেলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্যদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও একই এলাকায় ফুলজোড় নদী থেকে বিভিন্ন সময় মরদেহ উদ্ধার হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর: পেনশনের সাথে গ্র্যাচুইটি সুবিধা

সিরাজগঞ্জে ফুলজোড় নদীর তীর থেকে অটোভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:১৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ফুলজোড় নদীর পাশ থেকে জাহের আলী আকন্দ (৬০) নামে এক অটোভ্যান চালকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে সলঙ্গা থানার কালিকাপুর এলাকা থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত জাহের আলী আকন্দ সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ফুলজোড় নদীর কালিকাপুর এলাকায় একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে সলঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

নিহতের ছেলে বাবু জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যায় তার বাবা অটোভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন এবং এরপর আর ফিরে আসেননি। সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে তিনি বাবার মৃতদেহের সন্ধান পান।

সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম উদ্দিন জানিয়েছেন, নিহতের পেশা ছিল অটোভ্যান চালক। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা না গেলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্যদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও একই এলাকায় ফুলজোড় নদী থেকে বিভিন্ন সময় মরদেহ উদ্ধার হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।