ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের লোকসভায় মোদি সরকারের বড় ধাক্কা: নারী আসন সংরক্ষণ বিল পাশ করতে ব্যর্থ

ভারতের লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের বড় ধরনের পরাজয় হয়েছে। নারী আসন সংরক্ষণ এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির সংশোধনী বিল পাশ করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে এই সংবিধান সংশোধনী বিলগুলো এনেছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার।

নারীদের জন্য আসন সংরক্ষণের এই প্রস্তাব কার্যকর করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হতো, যার জন্য সভার অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেই সংখ্যক ভোট পেতে ভারতের ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট ব্যর্থ হয়েছে। বিলটির পক্ষে ২৯৮টি এবং বিপক্ষে ২৩০টি ভোট পড়েছে।

সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছেন, বাকি দুটি সংশোধনী বিল নিয়ে আর অগ্রসর না হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

লোকসভায় বিতর্ক চলাকালীনই প্রায় আড়াই বছর আগে পাশ হয়ে যাওয়া নারী সংরক্ষণ আইনটি হঠাৎ করেই কার্যকর করে দেওয়া হয়। এই আইনে সংসদ ও রাজ্য বিধানসভাগুলিতে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে, সরকারের প্রস্তাবিত সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল ২০২৬-এ বলা হয়েছে যে, আসন সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে নির্বাচনি আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের ভিত্তিতে।

সংসদে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ প্রদানকারী আইনের সংশোধন এবং নির্বাচনি আসনের সীমানা নির্ধারণ সম্পর্কিত বিলগুলো নিয়ে শাসক ও বিরোধী সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিতর্কের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিরোধীদের জবাব দেন এবং তারপর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা যাবে না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ভারতের লোকসভায় মোদি সরকারের বড় ধাক্কা: নারী আসন সংরক্ষণ বিল পাশ করতে ব্যর্থ

আপডেট সময় : ১০:২১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের বড় ধরনের পরাজয় হয়েছে। নারী আসন সংরক্ষণ এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির সংশোধনী বিল পাশ করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে এই সংবিধান সংশোধনী বিলগুলো এনেছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার।

নারীদের জন্য আসন সংরক্ষণের এই প্রস্তাব কার্যকর করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হতো, যার জন্য সভার অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেই সংখ্যক ভোট পেতে ভারতের ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট ব্যর্থ হয়েছে। বিলটির পক্ষে ২৯৮টি এবং বিপক্ষে ২৩০টি ভোট পড়েছে।

সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছেন, বাকি দুটি সংশোধনী বিল নিয়ে আর অগ্রসর না হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

লোকসভায় বিতর্ক চলাকালীনই প্রায় আড়াই বছর আগে পাশ হয়ে যাওয়া নারী সংরক্ষণ আইনটি হঠাৎ করেই কার্যকর করে দেওয়া হয়। এই আইনে সংসদ ও রাজ্য বিধানসভাগুলিতে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে, সরকারের প্রস্তাবিত সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল ২০২৬-এ বলা হয়েছে যে, আসন সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে নির্বাচনি আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের ভিত্তিতে।

সংসদে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ প্রদানকারী আইনের সংশোধন এবং নির্বাচনি আসনের সীমানা নির্ধারণ সম্পর্কিত বিলগুলো নিয়ে শাসক ও বিরোধী সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিতর্কের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিরোধীদের জবাব দেন এবং তারপর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়।