ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

দেশের প্রথম মরণোত্তর চক্ষুদানকারী ইনামুল হকের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষক, প্রকৌশলী ও বাংলাদেশে প্রথম মরণোত্তর চক্ষুদানকারী এ আর এম ইনামুল হকের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর)। মৃত্যুর তিন বছর আগে তিনি উইল করে তাঁর চোখ দান করে যান। তাঁর একটি কর্নিয়া সংযোজন করা হয় ‘সাপ্তাহিক ২০০০’-এর সম্পাদক শাহাদত চৌধুরীর চোখে ও অপরটি সংযোজন করা হয় রমজান আলী নামের এক ব্যক্তির চোখে।

ইনামুল হক ১৯২১ সালের ১ অক্টোবর পশ্চিম বাংলার হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়া রাজখোলা পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৬ সালে অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে যন্ত্রকৌশলে প্রকৌশল ডিগ্রি লাভের পর তৎকালীন আহসানুল্লাহ প্রকৌশল কলেজে (বর্তমান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষকতায় যোগ দেন।

পরবর্তী জীবনে তিনি বিভিন্ন সংস্থায় সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকালেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। কেবল নিজ পেশা প্রকৌশল বিদ্যাতেই নয়, আরও অনেক বিষয়েও ইনামুল হক ছিলেন বিদগ্ধ পণ্ডিত।

তিনি ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে একজন ছিলেন এবং ধানমন্ডি ক্লাব প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন (এখন ক্লাবটি শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব নামে পরিচিত)। বাংলাসহ চারটি ভাষায় ছিল তাঁর পারদর্শিতা। ভাষা ও শিক্ষার ব্যাপারে ছিল সমান আগ্রহ।

ইনামুল হকের মরণোত্তর চক্ষুদান ছিল তাঁর সমাজসেবা ও সমাজ সংস্কারধর্মী অসংখ্য প্রচেষ্টার চূড়ান্ত নিদর্শন। ১৯৭৭ সালে মাত্র ৫৬ বছর বয়সে মারা যান তিনি।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন দূতাবাসে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ দ্রুততর: দুই দিনে সম্পন্ন করার ঘোষণা

দেশের প্রথম মরণোত্তর চক্ষুদানকারী ইনামুল হকের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষক, প্রকৌশলী ও বাংলাদেশে প্রথম মরণোত্তর চক্ষুদানকারী এ আর এম ইনামুল হকের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর)। মৃত্যুর তিন বছর আগে তিনি উইল করে তাঁর চোখ দান করে যান। তাঁর একটি কর্নিয়া সংযোজন করা হয় ‘সাপ্তাহিক ২০০০’-এর সম্পাদক শাহাদত চৌধুরীর চোখে ও অপরটি সংযোজন করা হয় রমজান আলী নামের এক ব্যক্তির চোখে।

ইনামুল হক ১৯২১ সালের ১ অক্টোবর পশ্চিম বাংলার হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়া রাজখোলা পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৬ সালে অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে যন্ত্রকৌশলে প্রকৌশল ডিগ্রি লাভের পর তৎকালীন আহসানুল্লাহ প্রকৌশল কলেজে (বর্তমান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষকতায় যোগ দেন।

পরবর্তী জীবনে তিনি বিভিন্ন সংস্থায় সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকালেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। কেবল নিজ পেশা প্রকৌশল বিদ্যাতেই নয়, আরও অনেক বিষয়েও ইনামুল হক ছিলেন বিদগ্ধ পণ্ডিত।

তিনি ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে একজন ছিলেন এবং ধানমন্ডি ক্লাব প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন (এখন ক্লাবটি শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব নামে পরিচিত)। বাংলাসহ চারটি ভাষায় ছিল তাঁর পারদর্শিতা। ভাষা ও শিক্ষার ব্যাপারে ছিল সমান আগ্রহ।

ইনামুল হকের মরণোত্তর চক্ষুদান ছিল তাঁর সমাজসেবা ও সমাজ সংস্কারধর্মী অসংখ্য প্রচেষ্টার চূড়ান্ত নিদর্শন। ১৯৭৭ সালে মাত্র ৫৬ বছর বয়সে মারা যান তিনি।