বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা উত্তোলনের লক্ষ্যে বন্ড ইস্যুর অনুমোদন লাভ করেছে। এই বন্ডের মেয়াদ হবে সাত বছর এবং এটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ব্যাংক, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি বিনিয়োগকারী এবং মিউচুয়াল ফান্ডের কাছে প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। প্রতিটি বন্ড ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এটি শেয়ারবাজারের অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) তালিকাভুক্ত হবে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নিয়মিত কমিশন সভায় এই বন্ড ইস্যুর অনুমোদন দেওয়া হয়। বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বন্ডটির বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে এটি জামানতবিহীন, শেয়ারে রূপান্তরযোগ্য নয় এবং সম্পূর্ণ পরিশোধিত। বন্ডটির সুদের হার হবে ছয় মাসের ফিক্সড ডিপোজিটের উচ্চ সীমার গড়ের সঙ্গে অতিরিক্ত তিন শতাংশ। তবে, গড় মূল্যের ক্ষেত্রে শরিয়া, বিদেশী এবং ২০১২ সালের পর অনুমোদিত ব্যাংকগুলোর হার বিবেচনার আওতামুক্ত থাকবে। এটি একটি সাবঅর্ডিনেট বন্ড হবে, যার অর্থ ব্যাংকটি দেউলিয়া হলে অন্যান্য ঋণদাতাদের তুলনায় বন্ডহোল্ডাররা দেরিতে অর্থ ফেরত পাবে।
সিটি ব্যাংক এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ কর্পোরেট, রিটেইল এবং এসএমই খাতে ঋণ হিসেবে ব্যবহার করবে। ইবিএল ইনভেস্টমেন্ট বন্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে এবং সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্স ও আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট অ্যারেঞ্জার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
রিপোর্টারের নাম 























