ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

সামরিক সতর্কতা ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়াচ্ছে ইসরাইল

গাজা উপত্যকার যুদ্ধ এবং ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইসরাইল তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তারা আসন্ন হামলার পূর্বাভাসকে আরও সুনির্দিষ্ট করতে সক্ষম হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কিছুটা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করছে।

পূর্বে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা পুরো শহরজুড়ে জারি করা হতো, যার ফলে বাসিন্দাদের ঘন ঘন আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটতে হতো। কিন্তু এখন এআই-এর সাহায্যে এই সতর্কতা ব্যবস্থা অনেক বেশি নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ হয়ে এসেছে। এর ফলে, অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক এড়ানো সম্ভব হচ্ছে এবং মানুষ কম সময় আশ্রয়কেন্দ্রে কাটাচ্ছে।

ইসরাইলের সিভিল ডিফেন্স তাদের এই সতর্কতা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করেছে। এই পরিবর্তনের পেছনে মূল চালিকাশক্তি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, যা আসন্ন ক্ষেপণাস্ত্র কোথায় আঘাত হানতে পারে তা পূর্বাভাস দিতে সহায়তা করে। গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরাইলে হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট এবং ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। প্রতিটি হামলার ক্ষেত্রে ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ, সময়, আবহাওয়া, উৎক্ষেপণের কোণ এবং রাডার সংকেতসহ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হয়। এই বিপুল তথ্য এআই-এর মাধ্যমে দ্রুত ও গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হচ্ছে, যা মানুষের পক্ষে এত দ্রুত ও কার্যকরভাবে করা সম্ভব নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের প্রকোপ রুখতে বড় পদক্ষেপ: ঢাকা ও চার সিটিতে বিশেষ টিকাদান শুরু আজ

সামরিক সতর্কতা ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়াচ্ছে ইসরাইল

আপডেট সময় : ১১:৩৫:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

গাজা উপত্যকার যুদ্ধ এবং ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইসরাইল তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তারা আসন্ন হামলার পূর্বাভাসকে আরও সুনির্দিষ্ট করতে সক্ষম হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কিছুটা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করছে।

পূর্বে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা পুরো শহরজুড়ে জারি করা হতো, যার ফলে বাসিন্দাদের ঘন ঘন আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটতে হতো। কিন্তু এখন এআই-এর সাহায্যে এই সতর্কতা ব্যবস্থা অনেক বেশি নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ হয়ে এসেছে। এর ফলে, অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক এড়ানো সম্ভব হচ্ছে এবং মানুষ কম সময় আশ্রয়কেন্দ্রে কাটাচ্ছে।

ইসরাইলের সিভিল ডিফেন্স তাদের এই সতর্কতা ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করেছে। এই পরিবর্তনের পেছনে মূল চালিকাশক্তি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, যা আসন্ন ক্ষেপণাস্ত্র কোথায় আঘাত হানতে পারে তা পূর্বাভাস দিতে সহায়তা করে। গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরাইলে হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট এবং ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। প্রতিটি হামলার ক্ষেত্রে ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ, সময়, আবহাওয়া, উৎক্ষেপণের কোণ এবং রাডার সংকেতসহ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হয়। এই বিপুল তথ্য এআই-এর মাধ্যমে দ্রুত ও গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হচ্ছে, যা মানুষের পক্ষে এত দ্রুত ও কার্যকরভাবে করা সম্ভব নয়।