ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আইএলও-র সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের বিকাশে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বুধবার জেনেভায় আইএলও-র মহাপরিচালক মি. গিলবার্ট হুংবোর সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।

বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম অধিকারের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি জাতীয় আইন ও নীতিমালাকে আন্তর্জাতিক শ্রমমানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার চলমান উদ্যোগ সম্পর্কেও আইএলও মহাপরিচালককে অবহিত করেন। মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৩৯টি আইএলও কনভেনশন অনুসমর্থন করেছে, যা এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে সকল মৌলিক আইএলও কনভেনশন অনুসমর্থনের স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।

তিনি শ্রম খাত সংস্কার, শ্রম অধিকার সংস্কার কমিশন গঠন, ত্রিপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ পুনর্গঠন এবং জাতীয় ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের মাধ্যমে শ্রম আইন সংশোধনের অগ্রগতি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আর্টিকেল-২৬ মামলার ইতিবাচক ও সমঝোতাপূর্ণ নিষ্পত্তির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, ডেলিগেট সদস্যবৃন্দ এবং জেনেভা মিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর সীমান্তে বিজিবির সাহসী পদক্ষেপ: বিএসএফের হুমকির কড়া জবাব, প্রশংসা কুড়াচ্ছে জওয়ানরা

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আইএলও-র সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান

আপডেট সময় : ০৭:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের বিকাশে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বুধবার জেনেভায় আইএলও-র মহাপরিচালক মি. গিলবার্ট হুংবোর সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।

বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম অধিকারের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি জাতীয় আইন ও নীতিমালাকে আন্তর্জাতিক শ্রমমানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার চলমান উদ্যোগ সম্পর্কেও আইএলও মহাপরিচালককে অবহিত করেন। মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৩৯টি আইএলও কনভেনশন অনুসমর্থন করেছে, যা এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে সকল মৌলিক আইএলও কনভেনশন অনুসমর্থনের স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।

তিনি শ্রম খাত সংস্কার, শ্রম অধিকার সংস্কার কমিশন গঠন, ত্রিপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ পুনর্গঠন এবং জাতীয় ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের মাধ্যমে শ্রম আইন সংশোধনের অগ্রগতি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আর্টিকেল-২৬ মামলার ইতিবাচক ও সমঝোতাপূর্ণ নিষ্পত্তির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, ডেলিগেট সদস্যবৃন্দ এবং জেনেভা মিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।