ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের বিখ্যাত বি১ সেতুতে বিমান হামলায় ৮ নিহত, ৯৫ আহত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ইরানের আলবোরজ প্রদেশের করাজ শহরে অবস্থিত বিখ্যাত বি১ সেতুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় এখন পর্যন্ত ৮ জন নিহত এবং অন্তত ৯৫ জন আহত হয়েছেন। প্রাদেশিক গভর্নর কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়েছে, হামলায় নিহতদের মধ্যে আলবোরজের বিলঘান গ্রামের বাসিন্দা, পথচারী এবং প্রকৃতি দিবস উদযাপন করতে সেতুর আশপাশে থাকা পরিবারগুলোও রয়েছে।

ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, তেহরান থেকে করাজগামী পথে অবস্থিত এই সেতুটি ‘মধ্যপ্রাচ্যের সর্বোচ্চ সেতু’ হিসেবে পরিচিত। গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে এর অবস্থান থাকায় হামলায় ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরান জানিয়েছে, আঞ্চলিক সেতুগুলোকে এখন ‘বৈধ লক্ষ্য’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। দেশটির দাবি, এই হামলার লক্ষ্য ছিল একটি বেসামরিক অবকাঠামো, যার কোনো সামরিক ব্যবহার নেই।

হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের একটি হ্যাকার গ্রুপ সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অবস্থিত শেখ জায়েদ ব্রিজে হামলার হুমকি দিয়েছে। তেহরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল পরিকল্পিতভাবে বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে জনমনে ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং দেশের শিল্প সক্ষমতা দুর্বল করতে চাইছে। এর আগে খুজস্তান, ইসফাহান, চাহারমাহাল ও বাখতিয়ারি প্রদেশের স্টিল কারখানা, রেড ক্রিসেন্টের ওষুধ কারখানা, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র এবং তেহরানের চেম্বার অব কমার্স ভবনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত ২,৭৬৬ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২১৬ জন শিশু।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাম্পে তেল নেই, জমিতে পানি নেই: রংপুরের বোরো ক্ষেত ফেটে চৌচির, দিশেহারা কৃষক

ইরানের বিখ্যাত বি১ সেতুতে বিমান হামলায় ৮ নিহত, ৯৫ আহত

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের আলবোরজ প্রদেশের করাজ শহরে অবস্থিত বিখ্যাত বি১ সেতুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় এখন পর্যন্ত ৮ জন নিহত এবং অন্তত ৯৫ জন আহত হয়েছেন। প্রাদেশিক গভর্নর কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়েছে, হামলায় নিহতদের মধ্যে আলবোরজের বিলঘান গ্রামের বাসিন্দা, পথচারী এবং প্রকৃতি দিবস উদযাপন করতে সেতুর আশপাশে থাকা পরিবারগুলোও রয়েছে।

ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, তেহরান থেকে করাজগামী পথে অবস্থিত এই সেতুটি ‘মধ্যপ্রাচ্যের সর্বোচ্চ সেতু’ হিসেবে পরিচিত। গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে এর অবস্থান থাকায় হামলায় ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরান জানিয়েছে, আঞ্চলিক সেতুগুলোকে এখন ‘বৈধ লক্ষ্য’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। দেশটির দাবি, এই হামলার লক্ষ্য ছিল একটি বেসামরিক অবকাঠামো, যার কোনো সামরিক ব্যবহার নেই।

হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের একটি হ্যাকার গ্রুপ সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অবস্থিত শেখ জায়েদ ব্রিজে হামলার হুমকি দিয়েছে। তেহরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল পরিকল্পিতভাবে বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে জনমনে ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং দেশের শিল্প সক্ষমতা দুর্বল করতে চাইছে। এর আগে খুজস্তান, ইসফাহান, চাহারমাহাল ও বাখতিয়ারি প্রদেশের স্টিল কারখানা, রেড ক্রিসেন্টের ওষুধ কারখানা, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র এবং তেহরানের চেম্বার অব কমার্স ভবনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত ২,৭৬৬ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ২১৬ জন শিশু।