ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

মশা নিধনে বিশেষ উদ্যোগ: ঢাকা উত্তরে পুরস্কার ঘোষণা

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মশার উপদ্রব কমাতে এক বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে। সংস্থাটির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, মশা নিয়ন্ত্রণে যারা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবেন, তাদের পুরস্কৃত করা হবে।

সোমবার (৩০ মার্চ) গুলশান নগর ভবনে স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে ‘সমন্বিত বাহক ব্যবস্থাপনা (আইভিএম) ও মৌলিক কীট নিয়ন্ত্রণ কৌশল’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন। প্রশাসক বলেন, মশার যন্ত্রণায় নগরবাসী অতিষ্ঠ, তাই এই সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি তাত্ত্বিক জ্ঞানের চেয়ে ব্যবহারিক জ্ঞানের ওপর বেশি গুরুত্বারোপ করেন এবং বলেন যে, শতভাগ সফল না হলেও আন্তরিক প্রচেষ্টা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছাতে সহায়ক হবে।

প্রশাসক আরও উল্লেখ করেন যে, মশা নিয়ন্ত্রণের ভবিষ্যৎ অনেকাংশেই মাঠপর্যায়ের কর্মীদের কর্মদক্ষতার ওপর নির্ভর করছে। তিনি মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নিবিড় সম্পর্ক তুলে ধরেন এবং ডিএনসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদার করার কথা বলেন। প্রত্যেকের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে নগরবাসীকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেওয়া সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের গতি ও পরিধি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যাদের পারফরম্যান্স ভালো থাকবে, তাদের সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হবে। ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা মশক নিয়ন্ত্রণ কৌশল সম্পর্কে আরও দক্ষতা অর্জন করবেন। প্রশিক্ষণে ব্যবহারিক জ্ঞান বৃদ্ধি এবং মশক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতির ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হচ্ছে। কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার বলেন, তিনটি ‘সি’ (কমিটমেন্ট, কোলাবোরেশন এবং কো-অপারেশন) বাস্তবায়ন করা গেলে কার্যকরভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এই প্রশিক্ষণে ডিএনসিসির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং প্রতিটি ওয়ার্ডের মশক সুপারভাইজারসহ মোট ৮২ জন অংশ নিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবি: সচিবালয়ের সামনে উত্তাল পরিস্থিতি

মশা নিধনে বিশেষ উদ্যোগ: ঢাকা উত্তরে পুরস্কার ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৭:৩০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মশার উপদ্রব কমাতে এক বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে। সংস্থাটির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, মশা নিয়ন্ত্রণে যারা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবেন, তাদের পুরস্কৃত করা হবে।

সোমবার (৩০ মার্চ) গুলশান নগর ভবনে স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে ‘সমন্বিত বাহক ব্যবস্থাপনা (আইভিএম) ও মৌলিক কীট নিয়ন্ত্রণ কৌশল’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন। প্রশাসক বলেন, মশার যন্ত্রণায় নগরবাসী অতিষ্ঠ, তাই এই সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি তাত্ত্বিক জ্ঞানের চেয়ে ব্যবহারিক জ্ঞানের ওপর বেশি গুরুত্বারোপ করেন এবং বলেন যে, শতভাগ সফল না হলেও আন্তরিক প্রচেষ্টা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছাতে সহায়ক হবে।

প্রশাসক আরও উল্লেখ করেন যে, মশা নিয়ন্ত্রণের ভবিষ্যৎ অনেকাংশেই মাঠপর্যায়ের কর্মীদের কর্মদক্ষতার ওপর নির্ভর করছে। তিনি মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নিবিড় সম্পর্ক তুলে ধরেন এবং ডিএনসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদার করার কথা বলেন। প্রত্যেকের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে নগরবাসীকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেওয়া সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের গতি ও পরিধি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যাদের পারফরম্যান্স ভালো থাকবে, তাদের সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হবে। ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা মশক নিয়ন্ত্রণ কৌশল সম্পর্কে আরও দক্ষতা অর্জন করবেন। প্রশিক্ষণে ব্যবহারিক জ্ঞান বৃদ্ধি এবং মশক নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতির ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হচ্ছে। কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার বলেন, তিনটি ‘সি’ (কমিটমেন্ট, কোলাবোরেশন এবং কো-অপারেশন) বাস্তবায়ন করা গেলে কার্যকরভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এই প্রশিক্ষণে ডিএনসিসির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং প্রতিটি ওয়ার্ডের মশক সুপারভাইজারসহ মোট ৮২ জন অংশ নিয়েছেন।