ঢাকা ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

কাপাসিয়ায় মর্মান্তিক পাঁচ খুন: স্বামী পলাতক, বিচার দাবি এলাকাবাসীর

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসী এই লোমহর্ষক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

নিহতরা হলেন গোপালগঞ্জ সদরের শারমিন খানম (৩০), তার তিন মেয়ে মীম খানম (১৫), উম্মে হাবিবা (৮), ফারিয়া (দেড় বছর) এবং শারমিনের ভাই রসুল মিয়া (২৩)। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে শারমিনের স্বামী ফোরকান পলাতক রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনিই এই হত্যাকাণ্ডের মূল সন্দেহভাজন।

গ্রামবাসীরা জানান, নিহত শারমিন খানমকে সাধারণত বাড়ির বাইরে দেখা যেত না। প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনেরা এই নৃশংসতায় হতবাক। তাদের বিশ্বাস, এমন ঘটনা কোনোভাবেই ঘটতে পারে না এবং এর পেছনে থাকা প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য গভীর তদন্ত প্রয়োজন। অনেকেই নিহতদের জন্য জান্নাত কামনা করে হত্যাকারীর ফাঁসি দাবি করেছেন।

হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পর থেকে পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআইসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত চালাচ্ছে। ঘটনার পর থেকে বাড়ির পরিবেশ এখনো থমথমে এবং এলাকার মানুষের মধ্যে শোক ও ভীতির আবহ বিদ্যমান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন: বিএনপির বিরুদ্ধে জামায়াতের অভিযোগ, সরকারকেও প্রশ্ন অলি আহমদের

কাপাসিয়ায় মর্মান্তিক পাঁচ খুন: স্বামী পলাতক, বিচার দাবি এলাকাবাসীর

আপডেট সময় : ০৯:১৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসী এই লোমহর্ষক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

নিহতরা হলেন গোপালগঞ্জ সদরের শারমিন খানম (৩০), তার তিন মেয়ে মীম খানম (১৫), উম্মে হাবিবা (৮), ফারিয়া (দেড় বছর) এবং শারমিনের ভাই রসুল মিয়া (২৩)। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে শারমিনের স্বামী ফোরকান পলাতক রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনিই এই হত্যাকাণ্ডের মূল সন্দেহভাজন।

গ্রামবাসীরা জানান, নিহত শারমিন খানমকে সাধারণত বাড়ির বাইরে দেখা যেত না। প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনেরা এই নৃশংসতায় হতবাক। তাদের বিশ্বাস, এমন ঘটনা কোনোভাবেই ঘটতে পারে না এবং এর পেছনে থাকা প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য গভীর তদন্ত প্রয়োজন। অনেকেই নিহতদের জন্য জান্নাত কামনা করে হত্যাকারীর ফাঁসি দাবি করেছেন।

হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পর থেকে পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআইসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত চালাচ্ছে। ঘটনার পর থেকে বাড়ির পরিবেশ এখনো থমথমে এবং এলাকার মানুষের মধ্যে শোক ও ভীতির আবহ বিদ্যমান।