ঢাকা ১২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

গুলশান লেক পার্কে পোষা কুকুর নিয়ে হাঁটার অনুমতি, চালু হলো নতুন নিয়ম

রাজধানীর গুলশান লেক পার্কে এখন থেকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পোষা কুকুর নিয়ে হাঁটার সুযোগ পাবেন মালিকরা। গুলশান সোসাইটি ও প্যাম্পারড পওজ বাংলাদেশ যৌথভাবে পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রাণীপ্রেমীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এটিকে একটি আধুনিক ও ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

পার্ক কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা এবং রাত ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কুকুর নিয়ে হাঁটা যাবে। এছাড়া সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে পার্কে প্রবেশের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র নিবন্ধিত ও যথাযথভাবে টিকাপ্রাপ্ত কুকুরই অনুমতি পাবে এবং লিশ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় কুকুরের বর্জ্য অপসারণের দায়িত্ব মালিকদের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার ফলে যারা প্রাণীকে ভালোবাসেন তারা একটি সুন্দর পরিবেশে সময় কাটাতে পারবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই উদ্যোগ নিয়ে ব্যাপক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গর্ভের শিশুর লিঙ্গ প্রকাশে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা: ৬ মাসের মধ্যে ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরির নির্দেশ

গুলশান লেক পার্কে পোষা কুকুর নিয়ে হাঁটার অনুমতি, চালু হলো নতুন নিয়ম

আপডেট সময় : ১১:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

রাজধানীর গুলশান লেক পার্কে এখন থেকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পোষা কুকুর নিয়ে হাঁটার সুযোগ পাবেন মালিকরা। গুলশান সোসাইটি ও প্যাম্পারড পওজ বাংলাদেশ যৌথভাবে পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রাণীপ্রেমীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এটিকে একটি আধুনিক ও ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

পার্ক কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা এবং রাত ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কুকুর নিয়ে হাঁটা যাবে। এছাড়া সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে পার্কে প্রবেশের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র নিবন্ধিত ও যথাযথভাবে টিকাপ্রাপ্ত কুকুরই অনুমতি পাবে এবং লিশ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় কুকুরের বর্জ্য অপসারণের দায়িত্ব মালিকদের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার ফলে যারা প্রাণীকে ভালোবাসেন তারা একটি সুন্দর পরিবেশে সময় কাটাতে পারবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই উদ্যোগ নিয়ে ব্যাপক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।