ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

২০২৬ সাল থেকে সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা, থাকছে সিসি ক্যামেরা

দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে এখন থেকে একই প্রশ্নপত্রে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৬ সাল থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

সভায় জানানো হয়, পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সেশনজটের কারণে শিক্ষার্থীদের যে সময় নষ্ট হয়, তা রোধ করতেই এই পরিকল্পনা।

শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন সভায় বলেন, মেধাবী প্রজন্ম গড়তে নকলমুক্ত ও স্বচ্ছ পরীক্ষা পদ্ধতির কোনো বিকল্প নেই। এছাড়া ভবিষ্যতে পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা কমিয়ে আনা যায় কি না, তা পর্যালোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় শিক্ষা খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যোগ

২০২৬ সাল থেকে সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা, থাকছে সিসি ক্যামেরা

আপডেট সময় : ১১:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে এখন থেকে একই প্রশ্নপত্রে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৬ সাল থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

সভায় জানানো হয়, পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সেশনজটের কারণে শিক্ষার্থীদের যে সময় নষ্ট হয়, তা রোধ করতেই এই পরিকল্পনা।

শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন সভায় বলেন, মেধাবী প্রজন্ম গড়তে নকলমুক্ত ও স্বচ্ছ পরীক্ষা পদ্ধতির কোনো বিকল্প নেই। এছাড়া ভবিষ্যতে পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা কমিয়ে আনা যায় কি না, তা পর্যালোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।