ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় শিক্ষা খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যোগ

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে, বিশেষ করে বিদ্যালয়, পাঠদান প্রক্রিয়া এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতাকে ব্যাহত করছে। এই গুরুতর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা খাতে প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউনেস্কো, ইউনেস্কো ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর এডুকেশনাল প্ল্যানিং (আইআইইপি), সেভ দ্য চিলড্রেন ও গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশনের সহায়তায় রাজধানীতে তিন দিনব্যাপী একটি জাতীয় কর্মশালা শুরু হয়েছে। ‘ক্লাইমেট স্মার্ট এডুকেশন সিস্টেমস ইনিশিয়েটিভ (সিএসইএসআই)’ শীর্ষক এই কর্মশালায় জাতীয় ও উপ-জাতীয় পর্যায়ের ৩০ জনের বেশি সরকারি কর্মকর্তা, কারিগরি বিশেষজ্ঞ এবং শিক্ষা পরিকল্পনাবিদ অংশ নিচ্ছেন।

কর্মশালার মূল লক্ষ্য হলো, শিক্ষা খাতে বিদ্যমান সক্ষমতাগুলো মূল্যায়ন করা এবং জলবায়ু ঝুঁকি বিশ্লেষণের ক্ষমতা আরও জোরদার করা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব কর্মশালার উদ্বোধনে এর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এই কর্মশালা শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান সক্ষমতা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় দুর্বলতা চিহ্নিত করার সুযোগ তৈরি করবে। এটি প্রাতিষ্ঠানিক কার্যকারিতা বৃদ্ধি, সমন্বয় জোরদার এবং নীতি ও কার্যক্রমকে বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশে ইউনেসকোর প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান জোর দিয়ে বলেন যে, এই কর্মশালা কেবল ঝুঁকি চিহ্নিত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিদ্যমান ব্যবস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো কতটা কার্যকরভাবে এসব ঝুঁকি মোকাবিলা করতে পারে, তা বোঝার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি প্রমাণভিত্তিক পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে প্রস্তুতি জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন, যা শিক্ষার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে এবং শিশু ও তরুণদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় অপরিহার্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অযোধ্যায় রামমন্দিরের অর্থ ও গয়না লোপাট: ক্ষুব্ধ ভক্তদের দান বন্ধের ঘোষণা

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় শিক্ষা খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০১:১৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে, বিশেষ করে বিদ্যালয়, পাঠদান প্রক্রিয়া এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতাকে ব্যাহত করছে। এই গুরুতর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা খাতে প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদারে একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউনেস্কো, ইউনেস্কো ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর এডুকেশনাল প্ল্যানিং (আইআইইপি), সেভ দ্য চিলড্রেন ও গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশনের সহায়তায় রাজধানীতে তিন দিনব্যাপী একটি জাতীয় কর্মশালা শুরু হয়েছে। ‘ক্লাইমেট স্মার্ট এডুকেশন সিস্টেমস ইনিশিয়েটিভ (সিএসইএসআই)’ শীর্ষক এই কর্মশালায় জাতীয় ও উপ-জাতীয় পর্যায়ের ৩০ জনের বেশি সরকারি কর্মকর্তা, কারিগরি বিশেষজ্ঞ এবং শিক্ষা পরিকল্পনাবিদ অংশ নিচ্ছেন।

কর্মশালার মূল লক্ষ্য হলো, শিক্ষা খাতে বিদ্যমান সক্ষমতাগুলো মূল্যায়ন করা এবং জলবায়ু ঝুঁকি বিশ্লেষণের ক্ষমতা আরও জোরদার করা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব কর্মশালার উদ্বোধনে এর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এই কর্মশালা শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান সক্ষমতা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় দুর্বলতা চিহ্নিত করার সুযোগ তৈরি করবে। এটি প্রাতিষ্ঠানিক কার্যকারিতা বৃদ্ধি, সমন্বয় জোরদার এবং নীতি ও কার্যক্রমকে বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশে ইউনেসকোর প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান জোর দিয়ে বলেন যে, এই কর্মশালা কেবল ঝুঁকি চিহ্নিত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিদ্যমান ব্যবস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো কতটা কার্যকরভাবে এসব ঝুঁকি মোকাবিলা করতে পারে, তা বোঝার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি প্রমাণভিত্তিক পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে প্রস্তুতি জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন, যা শিক্ষার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে এবং শিশু ও তরুণদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় অপরিহার্য।