ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

৪৩তম বিসিএসের ৪ শিক্ষানবিশ এএসপিকে চাকরি থেকে অপসারণ

বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ৪৩তম ব্যাচের চারজন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারকে (এএসপি) সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১-এর বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে তাদের বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারিকৃত ওই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব তৌহিফ আহমেদ। চাকরি হারানো চার কর্মকর্তা হলেন— সাজিদ বিন কামাল, রতন বালা, মো. আব্দুল আজিজ ও তাহমিদ আহমদ। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ইতোমধ্যেই প্রজ্ঞাপনটির অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও পুলিশ মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই চার শিক্ষানবিশ কর্মকর্তাকে অপসারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপনে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবিধান সংশোধন না সংস্কার: মুখোমুখি অবস্থানে বিএনপি ও জামায়াত

৪৩তম বিসিএসের ৪ শিক্ষানবিশ এএসপিকে চাকরি থেকে অপসারণ

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ৪৩তম ব্যাচের চারজন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারকে (এএসপি) সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১-এর বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে তাদের বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারিকৃত ওই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব তৌহিফ আহমেদ। চাকরি হারানো চার কর্মকর্তা হলেন— সাজিদ বিন কামাল, রতন বালা, মো. আব্দুল আজিজ ও তাহমিদ আহমদ। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ইতোমধ্যেই প্রজ্ঞাপনটির অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও পুলিশ মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই চার শিক্ষানবিশ কর্মকর্তাকে অপসারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপনে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।