ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

অসাম্প্রদায়িক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে পাহাড়-সমতলের ঐক্যের ডাক পার্বত্য মন্ত্রীর

বাংলাদেশকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে পাহাড় ও সমতলের সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলনী সভায় তিনি বলেন, বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ এবং এই ঐক্যই আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার মূল শক্তি।

পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের ১২ এপ্রিল ঢাকায় একটি বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ উৎসবের আয়োজন করা হবে। এবার থেকে কেবল ‘বৈসাবি’ শব্দে সীমাবদ্ধ না থেকে পাহাড়ের প্রতিটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব উৎসবের নাম (বিজু, সাংগ্রাই, বৈষু, বিষু, চাংক্রান ইত্যাদি) গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব আত্মপরিচয় ও সংস্কৃতিকে বৈশ্বিক দরবারে পরিচিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভায় মন্ত্রী পার্বত্য অঞ্চলের বেকারত্ব দূরীকরণ এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে নিহত শহীদদের স্মরণ করে বলেন, ‘অপারেশন সার্চলাইট’ এর মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনী যে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, তা বাঙালি জাতি কোনোদিন ভুলবে না।

উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবিধান সংশোধন না সংস্কার: মুখোমুখি অবস্থানে বিএনপি ও জামায়াত

অসাম্প্রদায়িক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে পাহাড়-সমতলের ঐক্যের ডাক পার্বত্য মন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৭:৩১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে পাহাড় ও সমতলের সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলনী সভায় তিনি বলেন, বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ এবং এই ঐক্যই আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার মূল শক্তি।

পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের ১২ এপ্রিল ঢাকায় একটি বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ উৎসবের আয়োজন করা হবে। এবার থেকে কেবল ‘বৈসাবি’ শব্দে সীমাবদ্ধ না থেকে পাহাড়ের প্রতিটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব উৎসবের নাম (বিজু, সাংগ্রাই, বৈষু, বিষু, চাংক্রান ইত্যাদি) গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব আত্মপরিচয় ও সংস্কৃতিকে বৈশ্বিক দরবারে পরিচিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভায় মন্ত্রী পার্বত্য অঞ্চলের বেকারত্ব দূরীকরণ এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে নিহত শহীদদের স্মরণ করে বলেন, ‘অপারেশন সার্চলাইট’ এর মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনী যে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, তা বাঙালি জাতি কোনোদিন ভুলবে না।

উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।