ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা ও দেশ গড়ায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো উপহার বা সমঝোতার ফল নয়, বরং এটি লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

বুধবার রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত ভিকারুন্নেসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ স্মৃতিচারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালের দেশভাগ থেকে শুরু করে ৫২-র ভাষা আন্দোলন, ৬৯-র গণঅভ্যুত্থান এবং ৭০-র নির্বাচনের ম্যান্ডেট উপেক্ষা করে পাকিস্তানি বাহিনী যে বর্বরতা চালিয়েছিল, তা ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রশাসক বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজারবাগ পুলিশ লাইন ও জগন্নাথ হলসহ বিভিন্ন স্থানে যে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল, তা দেখার পরই তিনি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। তৎকালীন সময়ে অস্ত্রের তীব্র সংকট থাকা সত্ত্বেও ছাত্র ও যুবসমাজ যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, তা আজও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে।

তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পার হলেও সাধারণ মানুষের সব প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি। তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমরা দেশ স্বাধীন করেছি, কিন্তু এর মর্যাদা রক্ষা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব তোমাদের।” তিনি মেধাবীদের দেশত্যাগ না করে দেশের উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান শেষে ২৫ মার্চ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবিধান সংশোধন না সংস্কার: মুখোমুখি অবস্থানে বিএনপি ও জামায়াত

স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা ও দেশ গড়ায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

আপডেট সময় : ০৭:২৯:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো উপহার বা সমঝোতার ফল নয়, বরং এটি লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

বুধবার রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত ভিকারুন্নেসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ স্মৃতিচারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালের দেশভাগ থেকে শুরু করে ৫২-র ভাষা আন্দোলন, ৬৯-র গণঅভ্যুত্থান এবং ৭০-র নির্বাচনের ম্যান্ডেট উপেক্ষা করে পাকিস্তানি বাহিনী যে বর্বরতা চালিয়েছিল, তা ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রশাসক বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজারবাগ পুলিশ লাইন ও জগন্নাথ হলসহ বিভিন্ন স্থানে যে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল, তা দেখার পরই তিনি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। তৎকালীন সময়ে অস্ত্রের তীব্র সংকট থাকা সত্ত্বেও ছাত্র ও যুবসমাজ যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, তা আজও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে।

তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পার হলেও সাধারণ মানুষের সব প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি। তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমরা দেশ স্বাধীন করেছি, কিন্তু এর মর্যাদা রক্ষা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব তোমাদের।” তিনি মেধাবীদের দেশত্যাগ না করে দেশের উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান শেষে ২৫ মার্চ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।