লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় স্থায়ী কোনো বিনোদনকেন্দ্র না থাকায় ঈদের ছুটিতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের খোঁজে মেঘনা নদীর পাড়ে ভিড় জমাচ্ছেন হাজারো মানুষ। ঈদের দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েকদিন উপজেলার আলতাফ মাস্টারের ঘাট, সাজু মোল্লার ঘাট ও জ্বীনের মসজিদসহ বিভিন্ন এলাকায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে পড়ন্ত বিকেলে মেঘনার সূর্যাস্ত দেখতে ভিড় বাড়ছে কয়েক গুণ।
সরেজমিনে দেখা যায়, পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে মানুষ নদীর তীরে সময় কাটাচ্ছেন। কেউ নৌকা ভ্রমণে ব্যস্ত, আবার কেউ নদীর পাড়ে বসে প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করছেন। দর্শনার্থীদের ভিড়কে কেন্দ্র করে নদীর তীরে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অস্থায়ী দোকান ও ভ্রাম্যমাণ রেস্তোরাঁ। তবে স্থানীয়দের আক্ষেপ, একসময় ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু পর্যটন অবকাঠামো গড়ে উঠলেও নদী ভাঙনের ফলে সেগুলো বিলীন হয়ে গেছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, দর্শনার্থীদের চাপের বিষয়টি মাথায় রেখে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া এলাকায় একটি আধুনিক ও স্থায়ী বিনোদনকেন্দ্র নির্মাণের দাবিটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, পরিকল্পিত পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে যেতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 

























