ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণে জনস্বার্থ ও পরিবেশকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে: রেলমন্ত্রী

চট্টগ্রামের সিআরবি এলাকায় হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর বাসিন্দাদের অস্বস্তিতে ফেলে বা পরিবেশের ক্ষতি করে সরকার কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে না। রোববার সন্ধ্যায় সিআরবিতে প্রস্তাবিত হাসপাতালের জায়গা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।

রেলমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের সময় পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি ভিত্তিতে এখানে প্রথমে আড়াইশো এবং পরে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল করার পরিকল্পনা ছিল। তবে জনরোষ ও পরিবেশের ক্ষতির আশঙ্কায় তা থমকে যায়। বর্তমান সরকার পরিবেশ ও চট্টগ্রামবাসীর স্বার্থকে সবার আগে গুরুত্ব দেবে। মন্ত্রী আরও জানান, পিপিপিতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিটি কীভাবে সমাধান করা যায়, তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে একটি সুষ্ঠু সেটেলমেন্ট করা হবে।

আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা যৌক্তিক কারণে আন্দোলন করছেন, সরকার তাদের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। সিআরবিতে রেলওয়ের জায়গায় বাণিজ্যিক সুবিধা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। পরিবেশ রক্ষা করে জনবান্ধব কোনো উপায় বের করা সম্ভব কি না, তা যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এ সময় রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাতকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি, ১১টি সিলিং ফ্যান লুট

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণে জনস্বার্থ ও পরিবেশকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে: রেলমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের সিআরবি এলাকায় হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর বাসিন্দাদের অস্বস্তিতে ফেলে বা পরিবেশের ক্ষতি করে সরকার কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে না। রোববার সন্ধ্যায় সিআরবিতে প্রস্তাবিত হাসপাতালের জায়গা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।

রেলমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের সময় পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি ভিত্তিতে এখানে প্রথমে আড়াইশো এবং পরে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল করার পরিকল্পনা ছিল। তবে জনরোষ ও পরিবেশের ক্ষতির আশঙ্কায় তা থমকে যায়। বর্তমান সরকার পরিবেশ ও চট্টগ্রামবাসীর স্বার্থকে সবার আগে গুরুত্ব দেবে। মন্ত্রী আরও জানান, পিপিপিতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিটি কীভাবে সমাধান করা যায়, তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে একটি সুষ্ঠু সেটেলমেন্ট করা হবে।

আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা যৌক্তিক কারণে আন্দোলন করছেন, সরকার তাদের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। সিআরবিতে রেলওয়ের জায়গায় বাণিজ্যিক সুবিধা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। পরিবেশ রক্ষা করে জনবান্ধব কোনো উপায় বের করা সম্ভব কি না, তা যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এ সময় রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।