ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

নরসিংদীতে সরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে টেনেহিঁচড়ে লাঞ্ছনা, ভিডিও ভাইরাল

নরসিংদীর রায়পুরায় সরকারি আদিয়াবাদ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ নূর শাখাওয়াত হোসেন মিয়ার ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার নেতৃত্বে তাকে তার নিজ কার্যালয় থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে লাঞ্ছিত ও মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কিছু লোক অধ্যক্ষের প্যান্টের বেল্ট ধরে টানাহেঁচড়া করছে এবং তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করছে। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সেখানে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা অসহায়ভাবে দৃশ্যটি প্রত্যক্ষ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় বিএনপি নেতা আমজাদ হোসেন ও নাজমুল হক বাদলের নেতৃত্বে এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়।

অধ্যক্ষ নূর শাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করা হচ্ছিল এবং তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে আদালত তার পক্ষেই রায় দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে গেলে এই হামলার শিকার হন তিনি। রায়পুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

নরসিংদীতে সরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে টেনেহিঁচড়ে লাঞ্ছনা, ভিডিও ভাইরাল

আপডেট সময় : ০৯:৪২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

নরসিংদীর রায়পুরায় সরকারি আদিয়াবাদ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ নূর শাখাওয়াত হোসেন মিয়ার ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার নেতৃত্বে তাকে তার নিজ কার্যালয় থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে লাঞ্ছিত ও মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কিছু লোক অধ্যক্ষের প্যান্টের বেল্ট ধরে টানাহেঁচড়া করছে এবং তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করছে। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সেখানে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা অসহায়ভাবে দৃশ্যটি প্রত্যক্ষ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় বিএনপি নেতা আমজাদ হোসেন ও নাজমুল হক বাদলের নেতৃত্বে এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়।

অধ্যক্ষ নূর শাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করা হচ্ছিল এবং তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে আদালত তার পক্ষেই রায় দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে গেলে এই হামলার শিকার হন তিনি। রায়পুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে।