ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় তেলের তীব্র সংকট: স্বামীদের কাজের সময় বাঁচাতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন নারীরা

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জ্বালানি তেলের জন্য পাম্পগুলোতে গ্রাহকদের দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তেলের জন্য সারাদিন পাম্পে ব্যয় হওয়ায় পুরুষদের কৃষিকাজ ও দৈনন্দিন উপার্জনে বিঘ্ন ঘটছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের কাজের চাপ কমাতে তেলের পাত্র হাতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন নারীরা।

শনিবার উপজেলার সন্তোষপুর এলাকার অংগন ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন পাম্পে নারীদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। লাইনে দাঁড়ানো আকলিমা খাতুন জানান, তার স্বামী তেল নিতে আসলে পুরো দিন পাম্পেই কেটে যায়, ফলে ফসলের মাঠের কাজ বন্ধ থাকে। তাই স্বামীকে কাজে পাঠিয়ে তিনি নিজেই তেলের জন্য এসেছেন। আসমা খাতুন নামে আরেক নারী জানান, বাড়িতে কৃষি মালামাল বহনের ট্রলি থাকলেও তেলের অভাবে তা চালানো সম্ভব হচ্ছে না, তাই বাধ্য হয়ে তিনি লাইনে দাঁড়িয়েছেন।

ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আব্দুল হান্নান জানান, ভিড় সামলাতে পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে এবং পুরুষদের উপার্জনের সময় বাঁচাতে নারীদের এই অংশগ্রহণ স্থানীয় পর্যায়ে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুনামগঞ্জে সাড়ে ৩ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি

চুয়াডাঙ্গায় তেলের তীব্র সংকট: স্বামীদের কাজের সময় বাঁচাতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন নারীরা

আপডেট সময় : ০৬:০৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জ্বালানি তেলের জন্য পাম্পগুলোতে গ্রাহকদের দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তেলের জন্য সারাদিন পাম্পে ব্যয় হওয়ায় পুরুষদের কৃষিকাজ ও দৈনন্দিন উপার্জনে বিঘ্ন ঘটছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের কাজের চাপ কমাতে তেলের পাত্র হাতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন নারীরা।

শনিবার উপজেলার সন্তোষপুর এলাকার অংগন ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন পাম্পে নারীদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। লাইনে দাঁড়ানো আকলিমা খাতুন জানান, তার স্বামী তেল নিতে আসলে পুরো দিন পাম্পেই কেটে যায়, ফলে ফসলের মাঠের কাজ বন্ধ থাকে। তাই স্বামীকে কাজে পাঠিয়ে তিনি নিজেই তেলের জন্য এসেছেন। আসমা খাতুন নামে আরেক নারী জানান, বাড়িতে কৃষি মালামাল বহনের ট্রলি থাকলেও তেলের অভাবে তা চালানো সম্ভব হচ্ছে না, তাই বাধ্য হয়ে তিনি লাইনে দাঁড়িয়েছেন।

ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আব্দুল হান্নান জানান, ভিড় সামলাতে পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে এবং পুরুষদের উপার্জনের সময় বাঁচাতে নারীদের এই অংশগ্রহণ স্থানীয় পর্যায়ে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।