ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ রাত লাইলাতুল কদর: কেন এই মহিমা?

পবিত্র কুরআন বিশ্বমানবতার মুক্তির সনদ ও পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানবজাতির জন্য সবচেয়ে বড় নিয়ামত হলো এই পবিত্র গ্রন্থ নাজিল হওয়া। কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার মধ্য দিয়েই মূলত লাইলাতুল কদর বা শবে কদর এক অনন্য মর্যাদায় আসীন হয়েছে।

পবিত্র কুরআনের সুরা আদ-দুখান ও সুরা আল-বাকারার বর্ণনা অনুযায়ী, আল্লাহ তাআলা এই বরকতময় রাতেই কুরআন নাজিল করেছেন, যা মানুষের জন্য সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যকারী। সুরা কদরে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ‘আমি একে নাজিল করেছি শবে কদরে’। কদর শব্দের অর্থই হলো মহিমান্বিত বা সম্মানজনক। এই একটি রাত ইবাদতের দিক থেকে হাজার মাসের চেয়েও বেশি শ্রেষ্ঠত্ব রাখে।

ইসলামি ইতিহাস ও তাফসির অনুযায়ী, বনি ইসরাঈলের এক মুজাহিদ দীর্ঘ এক হাজার মাস বিরতিহীনভাবে ইবাদত ও জিহাদে মগ্ন ছিলেন। তাঁর এই অসামান্য ত্যাগের কথা শুনে সাহাবীরা বিস্মিত হয়েছিলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে উম্মতে মুহাম্মদির জন্য মহান আল্লাহ এমন এক বরকতময় রাত উপহার দিয়েছেন, যাতে কেবল এক রাত ইবাদত করেই সেই দীর্ঘ সময়ের চেয়েও বেশি সওয়াব হাসিল করা সম্ভব হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নদী ও খাল খনন প্রকল্পে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ রাত লাইলাতুল কদর: কেন এই মহিমা?

আপডেট সময় : ০৮:১৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

পবিত্র কুরআন বিশ্বমানবতার মুক্তির সনদ ও পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানবজাতির জন্য সবচেয়ে বড় নিয়ামত হলো এই পবিত্র গ্রন্থ নাজিল হওয়া। কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার মধ্য দিয়েই মূলত লাইলাতুল কদর বা শবে কদর এক অনন্য মর্যাদায় আসীন হয়েছে।

পবিত্র কুরআনের সুরা আদ-দুখান ও সুরা আল-বাকারার বর্ণনা অনুযায়ী, আল্লাহ তাআলা এই বরকতময় রাতেই কুরআন নাজিল করেছেন, যা মানুষের জন্য সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যকারী। সুরা কদরে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ‘আমি একে নাজিল করেছি শবে কদরে’। কদর শব্দের অর্থই হলো মহিমান্বিত বা সম্মানজনক। এই একটি রাত ইবাদতের দিক থেকে হাজার মাসের চেয়েও বেশি শ্রেষ্ঠত্ব রাখে।

ইসলামি ইতিহাস ও তাফসির অনুযায়ী, বনি ইসরাঈলের এক মুজাহিদ দীর্ঘ এক হাজার মাস বিরতিহীনভাবে ইবাদত ও জিহাদে মগ্ন ছিলেন। তাঁর এই অসামান্য ত্যাগের কথা শুনে সাহাবীরা বিস্মিত হয়েছিলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে উম্মতে মুহাম্মদির জন্য মহান আল্লাহ এমন এক বরকতময় রাত উপহার দিয়েছেন, যাতে কেবল এক রাত ইবাদত করেই সেই দীর্ঘ সময়ের চেয়েও বেশি সওয়াব হাসিল করা সম্ভব হয়।