বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে পাঠচক্র সদস্যদের জন্য এক বর্ণাঢ্য মৌসুমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয়ভাবে বাছাইকৃত পাঠচক্র সদস্যদের অংশগ্রহণে মানবসম্পদ উন্নয়ন (এইচআরডি) বিভাগের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সংগঠনের বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে একটি ভিন্নধর্মী উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রশিবির গাইবান্ধা জেলা সভাপতি ইউসুফ আল কারযাভী। জেলা মানবসম্পদ উন্নয়ন (এইচআরডি) সম্পাদক হুমায়ুন ফারহান সাদিক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও বগুড়া শহর সভাপতি হাবিবুল্লাহ খন্দকার। এছাড়াও জেলা শাখার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি হাবিবুল্লাহ খন্দকার তাঁর বক্তব্যে বলেন, মৌসুমী ফল উৎসব কেবল একটি আনন্দ আয়োজনই নয়, এটি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, কৃষি ঐতিহ্য ও স্বাস্থ্যসচেতনতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদযাপন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ ঋতুবৈচিত্র্যের দেশ হওয়ায় প্রতিটি ঋতুতেই বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল পাওয়া যায়, যা মানুষের খাদ্যাভ্যাসকে আরও সমৃদ্ধ করে। গ্রীষ্মের আম, কাঁঠাল, লিচু ও জাম, বর্ষার আনারস ও পেয়ারা এবং শীতের কমলা ও বরইয়ের মতো মৌসুমী ফলগুলো মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। এই ফলগুলোতে থাকা ভিটামিন, খনিজ, আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সুস্থ জীবনযাপনে সহায়ক বলে তিনি জানান।
তিনি দেশীয় ফলের গুরুত্ব তুলে ধরে বিদেশি ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিবর্তে দেশীয় মৌসুমী ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, যারা দুনিয়ার অন্যান্য কাজের চেয়ে দ্বীনের কাজকে প্রাধান্য দেন, আল্লাহ তাঁদের দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জগতেই সম্মানিত করেন। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বিভিন্ন মৌসুমী ফল পরিবেশন করা হয় এবং দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
রিপোর্টারের নাম 

























