ইরান যদি তাদের আক্রমণাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধ না করে, তবে দেশটির সঙ্গে কোনো ধরনের কূটনৈতিক আলোচনা সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এই কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
আল-আনসারি বলেন, কাতার সবসময় কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে বিশ্বাসী, কিন্তু নিজেদের ভূখণ্ড হামলার শিকার হতে থাকলে আলোচনার পরিবেশ তৈরি হয় না। সম্প্রতি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উপসাগরীয় দেশগুলোর বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠনের যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কাতার তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
কাতারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার হুমকি কমেনি। এমনকি গত শনিবার দোহার একটি আবাসিক এলাকা লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সতর্কবার্তার কারণে নিরাপত্তার খাতিরে নির্দিষ্ট কিছু এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে কাতার কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, ওই সরিয়ে নেওয়া অঞ্চলের মধ্যে গুগল, মাইক্রোসফট ও আমেরিকান এক্সপ্রেসের মতো শীর্ষস্থানীয় মার্কিন প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় ছিল। মুখপাত্র আরও জানান, কাতার আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে কাজ করলেও এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক মধ্যস্থতার খবর তার জানা নেই।
রিপোর্টারের নাম 























