ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের আহ্বানে বিশ্বজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, ৪ দেশের সরাসরি প্রত্যাখ্যান

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশকে আহ্বান জানিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তার এই আহ্বানে আন্তর্জাতিক মহল থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।

সোমবার এক ব্রিফিংয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানান, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখতে তার দেশ মিত্রদের সাথে একটি কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্য কোনো নেটো মিশনের অংশ হবে না বা কোনো বৃহত্তর যুদ্ধেও জড়িয়ে পড়বে না।

জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস ট্রাম্পের এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “এটি আমাদের যুদ্ধ নয়, আমরা এটি শুরু করিনি।”

অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, তারা এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখে সতর্ক পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেবে। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি পার্লামেন্টে আরও কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, “ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা এই মুহূর্তে কোনো সামুদ্রিক নিরাপত্তা অভিযান চালানোর কথা বিবেচনা করছি না।”

অস্ট্রেলিয়ার কেবিনেট সদস্য ক্যাথরিন কিং হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন।

ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের একজন মুখপাত্র বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও বলেন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল ও নিরবচ্ছিন্ন রাখা সব পক্ষেরই দায়িত্ব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে প্রতিটি মৃত খাল পুনঃখননের ঘোষণা দিলেন প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের আহ্বানে বিশ্বজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, ৪ দেশের সরাসরি প্রত্যাখ্যান

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশকে আহ্বান জানিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তার এই আহ্বানে আন্তর্জাতিক মহল থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।

সোমবার এক ব্রিফিংয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানান, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখতে তার দেশ মিত্রদের সাথে একটি কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্য কোনো নেটো মিশনের অংশ হবে না বা কোনো বৃহত্তর যুদ্ধেও জড়িয়ে পড়বে না।

জার্মানির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস ট্রাম্পের এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “এটি আমাদের যুদ্ধ নয়, আমরা এটি শুরু করিনি।”

অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, তারা এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখে সতর্ক পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেবে। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি পার্লামেন্টে আরও কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, “ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা এই মুহূর্তে কোনো সামুদ্রিক নিরাপত্তা অভিযান চালানোর কথা বিবেচনা করছি না।”

অস্ট্রেলিয়ার কেবিনেট সদস্য ক্যাথরিন কিং হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন।

ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের একজন মুখপাত্র বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও বলেন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল ও নিরবচ্ছিন্ন রাখা সব পক্ষেরই দায়িত্ব।