ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

অবরুদ্ধ আল-আকসা: শবে কদরের রাতেও ইবাদত থেকে বঞ্চিত ফিলিস্তিনিরা

ফিলিস্তিনিদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও ধর্মীয় আবেগ মিশে থাকা আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণ এবার শবে কদরের রাতেও ছিল নিস্তব্ধ। রমজানের শেষ দশ দিন আল-আকসায় ইতিকাফ করা ফিলিস্তিনিদের জন্য এক বিশেষ উৎসবের মতো হলেও, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের কঠোর নিষেধাজ্ঞায় মসজিদটি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে আছে। চলমান সংঘাত ও জরুরি অবস্থার অজুহাতে এবার মুসল্লিদের প্রবেশাধিকার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে দখলদার বাহিনী।

মসজিদটির প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা জর্ডান পরিচালিত ওয়াকফ কমিটির কাজে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ রুখে দেওয়া হয়েছে। ২৫ বছর বয়সী শায়মা আবেদ নামে এক ফিলিস্তিনি তরুণী আক্ষেপ করে জানান, গত পাঁচ বছর ধরে তিনি এখানে ইতিকাফ করছেন। জেরুজালেম, পশ্চিম তীর এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মুসলিমদের মিলনমেলায় যে আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি হতো, তা এবার পুরোপুরি অনুপস্থিত।

লাইলাতুল কদরের পুণ্যময় রাতে যেখানে লাখো মানুষের পদচারণায় মুখর থাকত আল-আকসা, সেখানে এখন কেবলই হাহাকার। সেহরি বা ফজরের সম্মিলিত ইবাদতের সুর আজ স্তব্ধ হয়ে গেছে। অবরুদ্ধ মসজিদের দেয়ালের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ফিলিস্তিনিদের মনে এখন কেবলই প্রার্থনা, যেন দ্রুতই পবিত্র এই স্থানটি আবারও সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হানিফ সংকেতের নতুন চমক: আসছে ঈদ নাটক ‘ভালোবেসে অবশেষে’

অবরুদ্ধ আল-আকসা: শবে কদরের রাতেও ইবাদত থেকে বঞ্চিত ফিলিস্তিনিরা

আপডেট সময় : ০৭:০৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ফিলিস্তিনিদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও ধর্মীয় আবেগ মিশে থাকা আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণ এবার শবে কদরের রাতেও ছিল নিস্তব্ধ। রমজানের শেষ দশ দিন আল-আকসায় ইতিকাফ করা ফিলিস্তিনিদের জন্য এক বিশেষ উৎসবের মতো হলেও, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের কঠোর নিষেধাজ্ঞায় মসজিদটি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে আছে। চলমান সংঘাত ও জরুরি অবস্থার অজুহাতে এবার মুসল্লিদের প্রবেশাধিকার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে দখলদার বাহিনী।

মসজিদটির প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা জর্ডান পরিচালিত ওয়াকফ কমিটির কাজে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ রুখে দেওয়া হয়েছে। ২৫ বছর বয়সী শায়মা আবেদ নামে এক ফিলিস্তিনি তরুণী আক্ষেপ করে জানান, গত পাঁচ বছর ধরে তিনি এখানে ইতিকাফ করছেন। জেরুজালেম, পশ্চিম তীর এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মুসলিমদের মিলনমেলায় যে আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি হতো, তা এবার পুরোপুরি অনুপস্থিত।

লাইলাতুল কদরের পুণ্যময় রাতে যেখানে লাখো মানুষের পদচারণায় মুখর থাকত আল-আকসা, সেখানে এখন কেবলই হাহাকার। সেহরি বা ফজরের সম্মিলিত ইবাদতের সুর আজ স্তব্ধ হয়ে গেছে। অবরুদ্ধ মসজিদের দেয়ালের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ফিলিস্তিনিদের মনে এখন কেবলই প্রার্থনা, যেন দ্রুতই পবিত্র এই স্থানটি আবারও সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।