ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

২৬তম তারাবিতে ২৯তম পারা: সূরা মুলক থেকে মুরসালাত পর্যন্ত পাঠ, কোরআনের গভীর বার্তা

আজ পবিত্র তারাবির নামাজে ২৬তম দিনে কোরআনুল কারিমের ২৯তম পারা তেলাওয়াত করা হবে। এই অংশে সূরা মুলক থেকে শুরু করে সূরা কলাম, সূরা হাক্কাহ, সূরা মাআরিজ, সূরা নুহ, সূরা জিন, সূরা মুযযাম্মিল, সূরা মুদ্দাসসির, সূরা কেয়ামাহ, সূরা দাহর এবং সূরা মুরসালাত পর্যন্ত মোট এগারোটি সূরা পাঠ করা হবে।

সূরা মুলকে মহান আল্লাহর ক্ষমতা, কুদরত, একত্ববাদ এবং রাজত্বের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এটি খোদার অস্তিত্বের বহু প্রমাণ এবং কিয়ামত ও জাহান্নামের বিভিন্ন অবস্থার আলোচনা করে। সূরা কলামে নবী মুহাম্মদ (সা.) এর সুমহান চরিত্র ও মর্যাদার বিবরণ দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি তাঁর শত্রুদের চারিত্রিক নীচতা তুলে ধরা হয়েছে। এখানে একটি বাগানের মালিকদের ঘটনা উল্লেখ করে মালের হক ও গরিব-দুঃখীর প্রাপ্য আদায় না করার ভয়াবহ পরিণতি দেখানো হয়েছে।

সূরা হাক্কাহ কিয়ামতের ভয়াবহতা, আদ, সামুদ ও লুত জাতির পরিণতির বিবরণ দেয়। এটি কিয়ামতের পূর্ববর্তী বিভিন্ন ঘটনা, নেককারদের ডান হাতে এবং বদকারদের বাম হাতে আমলনামা প্রদানের বিষয়ে আলোকপাত করে। সূরা মাআরিজ কিয়ামতের আলোচনা এবং মানুষের স্বভাব ও প্রকৃতির বিবরণ দেয়, যেখানে আল্লাহ তায়ালা মানুষকে পুনরায় সৃষ্টি করতে সক্ষম বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

সূরা নুহতে নবী নুহ (আ.) এর দীর্ঘকাল ধরে মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকার বিবরণ এবং তাঁর সম্প্রদায়ের প্রতিকূল আচরণের কথা বলা হয়েছে। এই সূরায় নুহ (আ.) এর জবানিতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার ফজিলত ও উপকারিতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—ক্ষমা চাইলে আল্লাহ ক্ষমা করবেন, বৃষ্টি দেবেন, সহায়সম্পত্তি ও সন্তানসন্ততি বাড়িয়ে দেবেন এবং বাগবাগিচা ও নদনদীর ব্যবস্থা করে দেবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরাইলে ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা: তেল আবিবসহ কাঁপল কয়েকটি শহর, আহত অন্তত ৫

২৬তম তারাবিতে ২৯তম পারা: সূরা মুলক থেকে মুরসালাত পর্যন্ত পাঠ, কোরআনের গভীর বার্তা

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

আজ পবিত্র তারাবির নামাজে ২৬তম দিনে কোরআনুল কারিমের ২৯তম পারা তেলাওয়াত করা হবে। এই অংশে সূরা মুলক থেকে শুরু করে সূরা কলাম, সূরা হাক্কাহ, সূরা মাআরিজ, সূরা নুহ, সূরা জিন, সূরা মুযযাম্মিল, সূরা মুদ্দাসসির, সূরা কেয়ামাহ, সূরা দাহর এবং সূরা মুরসালাত পর্যন্ত মোট এগারোটি সূরা পাঠ করা হবে।

সূরা মুলকে মহান আল্লাহর ক্ষমতা, কুদরত, একত্ববাদ এবং রাজত্বের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এটি খোদার অস্তিত্বের বহু প্রমাণ এবং কিয়ামত ও জাহান্নামের বিভিন্ন অবস্থার আলোচনা করে। সূরা কলামে নবী মুহাম্মদ (সা.) এর সুমহান চরিত্র ও মর্যাদার বিবরণ দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি তাঁর শত্রুদের চারিত্রিক নীচতা তুলে ধরা হয়েছে। এখানে একটি বাগানের মালিকদের ঘটনা উল্লেখ করে মালের হক ও গরিব-দুঃখীর প্রাপ্য আদায় না করার ভয়াবহ পরিণতি দেখানো হয়েছে।

সূরা হাক্কাহ কিয়ামতের ভয়াবহতা, আদ, সামুদ ও লুত জাতির পরিণতির বিবরণ দেয়। এটি কিয়ামতের পূর্ববর্তী বিভিন্ন ঘটনা, নেককারদের ডান হাতে এবং বদকারদের বাম হাতে আমলনামা প্রদানের বিষয়ে আলোকপাত করে। সূরা মাআরিজ কিয়ামতের আলোচনা এবং মানুষের স্বভাব ও প্রকৃতির বিবরণ দেয়, যেখানে আল্লাহ তায়ালা মানুষকে পুনরায় সৃষ্টি করতে সক্ষম বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

সূরা নুহতে নবী নুহ (আ.) এর দীর্ঘকাল ধরে মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকার বিবরণ এবং তাঁর সম্প্রদায়ের প্রতিকূল আচরণের কথা বলা হয়েছে। এই সূরায় নুহ (আ.) এর জবানিতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার ফজিলত ও উপকারিতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—ক্ষমা চাইলে আল্লাহ ক্ষমা করবেন, বৃষ্টি দেবেন, সহায়সম্পত্তি ও সন্তানসন্ততি বাড়িয়ে দেবেন এবং বাগবাগিচা ও নদনদীর ব্যবস্থা করে দেবেন।