মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যেকোনো ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যতক্ষণ না ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও নেতৃত্ব সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই সংঘাত চলবে।
অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তাদের যোগ না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, যদি তাদের দেশের ভূখণ্ড থেকে কোনো হামলা না আসে, তবে ইরান আপাতত আক্রমণ স্থগিত রাখবে।
এই সংঘাতের মধ্যে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে, অন্যদিকে ইসরায়েল লেবাননে হিজবোল্লাহকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৩৩০ জন ইরানি নিহত এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। ইরানের হামলায় ইসরায়েলে ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন, আর যুক্তরাষ্ট্রের ছয়জন সেনাও মারা গেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কুয়েত, ইরাক এবং কাতার তাদের তেল উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক তেল বাজারে চাপ আরও বেড়েছে। ট্রাম্প এই পরিস্থিতিতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন, তবে ইরান আপাতত সীমিত প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















