ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ঝিনাইদহে যুবক হত্যা মামলায় স্ত্রীসহ ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের যুবক মুকুল মালিক হত্যা মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক গৌতম কুমার ঘোষ এই রায় ঘোষণা করেন। একই সাথে দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সাজা প্রাপ্তরা হলেন—নিহত মুকুলের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন, বিল্লাল হোসেন এবং পলাতক আসামি আলমগীর হোসেন। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩ আগস্ট পারিবারিক কলহের জেরে মুকুল মালিক নিখোঁজ হন। নিখোঁজের ১০ দিন পর স্থানীয় একটি ধানক্ষেতের গর্ত থেকে মাটিচাপা অবস্থায় তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর রশিদ বিশ্বাস বাদী হয়ে হরিণাকুন্ডু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় প্রদান করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ফারুক হোসেন ও মাসুদ রানা নামে দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে জরুরি সহায়তা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাম্পের ঘোষণা

ঝিনাইদহে যুবক হত্যা মামলায় স্ত্রীসহ ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের যুবক মুকুল মালিক হত্যা মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক গৌতম কুমার ঘোষ এই রায় ঘোষণা করেন। একই সাথে দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সাজা প্রাপ্তরা হলেন—নিহত মুকুলের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন, বিল্লাল হোসেন এবং পলাতক আসামি আলমগীর হোসেন। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩ আগস্ট পারিবারিক কলহের জেরে মুকুল মালিক নিখোঁজ হন। নিখোঁজের ১০ দিন পর স্থানীয় একটি ধানক্ষেতের গর্ত থেকে মাটিচাপা অবস্থায় তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর রশিদ বিশ্বাস বাদী হয়ে হরিণাকুন্ডু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় প্রদান করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ফারুক হোসেন ও মাসুদ রানা নামে দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।