শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের সকল শিক্ষককে উন্নত প্রশিক্ষণের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, বর্তমানে নকল প্রতিরোধে সরকার সফল হয়েছে এবং এখন মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি করা। শিক্ষকদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা এবং যেসব সমস্যার কারণে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, তা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন কেন্দ্র সচিবদের নিয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়। মন্ত্রী জানান, নতুন প্রজন্মকে আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর ক্লাসরুম ও উন্নত পাঠদান পদ্ধতির মাধ্যমে গড়ে তোলা হবে।
পরীক্ষায় অনিয়ম রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইন অনুযায়ী যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা খাতা পরিবর্তনে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষার হল ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের ‘বডি অন ক্যামেরা’ ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে। এছাড়া যেকোনো পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল দুই মাসের মধ্যে প্রকাশ এবং সেশনজট নিরসনে দুই বছরের কোর্স নির্ধারিত সময়ে শেষ করার বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা পরিষদের প্রশাসকসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সভায় পরীক্ষার কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 






















