ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইসির অধীনেই ফিরল জাতীয় পরিচয়পত্র: ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ গঠনের অধ্যাদেশ জারি

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত কার্যক্রম ও এর তথ্যভাণ্ডার প্রস্তুত ও সংরক্ষণের দায়িত্ব আবারও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অধীনে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সম্প্রতি একটি অধ্যাদেশ জারি করেছেন, যেখানে ‘নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন, ২০০৯’ সংশোধন করা হয়েছে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার এই সংশোধনী অনুমোদন করে, যার ভিত্তিতে ৫ অক্টোবর রাতে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশটি জারি করেন।

অধ্যাদেশের মূল দুটি পরিবর্তন
এই অধ্যাদেশে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা সংশোধন করা হয়েছে:

১. এনআইডি দায়িত্ব: সংশোধিত ধারা ৪ (২) (ক) অনুযায়ী, এখন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডার প্রস্তুত ও সংরক্ষণ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
২. নতুন সার্ভিস: ধারা ৩ (৪)-এ নতুনভাবে ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ গঠনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

পূর্বের আইন বাতিলের প্রয়োজন
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অধ্যাদেশ কার্যকর করার জন্য ২০২৩ সালে করা আইনটি বাতিল করতে হবে, যার মাধ্যমে এনআইডির দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, সাবেক আওয়ামী লীগ সরকার ‘জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন-২০২৩’ এর মাধ্যমে এনআইডি কার্যক্রম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে যায়। তবে তখন থেকেই ইসি এনআইডি নিজেদের অধীনে রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়ে সেই আইন বাতিলের সুপারিশ করে আসছিল।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আরাকান আর্মির প্রধানের অভিনন্দন, নতুন বন্ধুত্বের বার্তা

ইসির অধীনেই ফিরল জাতীয় পরিচয়পত্র: ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ গঠনের অধ্যাদেশ জারি

আপডেট সময় : ১২:৪২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত কার্যক্রম ও এর তথ্যভাণ্ডার প্রস্তুত ও সংরক্ষণের দায়িত্ব আবারও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অধীনে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সম্প্রতি একটি অধ্যাদেশ জারি করেছেন, যেখানে ‘নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন, ২০০৯’ সংশোধন করা হয়েছে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার এই সংশোধনী অনুমোদন করে, যার ভিত্তিতে ৫ অক্টোবর রাতে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশটি জারি করেন।

অধ্যাদেশের মূল দুটি পরিবর্তন
এই অধ্যাদেশে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা সংশোধন করা হয়েছে:

১. এনআইডি দায়িত্ব: সংশোধিত ধারা ৪ (২) (ক) অনুযায়ী, এখন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডার প্রস্তুত ও সংরক্ষণ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
২. নতুন সার্ভিস: ধারা ৩ (৪)-এ নতুনভাবে ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ গঠনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

পূর্বের আইন বাতিলের প্রয়োজন
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অধ্যাদেশ কার্যকর করার জন্য ২০২৩ সালে করা আইনটি বাতিল করতে হবে, যার মাধ্যমে এনআইডির দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, সাবেক আওয়ামী লীগ সরকার ‘জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন-২০২৩’ এর মাধ্যমে এনআইডি কার্যক্রম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে যায়। তবে তখন থেকেই ইসি এনআইডি নিজেদের অধীনে রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়ে সেই আইন বাতিলের সুপারিশ করে আসছিল।