সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব এবং মাহফিলের আয়োজক ও নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন। এই অভিজ্ঞতা ও বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর কথোপকথনের বিবরণ তিনি তাঁর ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পাটওয়ারী তাঁর ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ইফতারের আগে উপস্থিত সকলের সঙ্গে মুসাফাহ করার চেষ্টা করেন। এই সময় তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর আমীরের কাছে দোয়া প্রার্থনা করলে, আমীর তাঁকে দোয়া ও দাওয়াত (দাওয়াহ) দুটোই দেওয়ার আশ্বাস দেন।
পোস্টে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে পাটওয়ারী বলেন, “বাসার বুয়া প্রতিদিন ফ্যামিলি কার্ড চায়। এটা নির্বাচনে জেতার ভালো কৌশল ছিলো।” উত্তরে প্রধানমন্ত্রী জানান যে, এই ধারণাটি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে এবং এটি শীঘ্রই সারা বাংলাদেশে চালু হবে। এছাড়াও, মঈন খানের সঙ্গে তাঁর কুশল বিনিময় হয় এবং তিনি পাটওয়ারীকে বাসায় আসার আমন্ত্রণ জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিনকে শহীদ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান পাটওয়ারী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে বলেন যে, সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনাটি ঘটে আব্বাসকে ঘিরে। পাটওয়ারী আব্বাসকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “ছোট ভাইয়ের সাথে এগুলো না করলেও পারতেন,” এবং তাঁকে নিজের বাসায় ইফতারের দাওয়াত দেন। ইফতার শেষে যখন প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দ বিদায় নিচ্ছিলেন, তখন আব্বাস পুনরায় পাটওয়ারীকে বলেন, “দুষ্টুমি করবা না।” এর জবাবে পাটওয়ারী বলেন, “ছোট ভাইয়ের সিট এভাবে কেড়ে না নিয়ে ছেড়ে দিলেও পারতেন।” এই কথোপকথন দুটি রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন সৃষ্টি করেছে এবং এর পেছনের ঘটনা সম্পর্কে জানার আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
—
রিপোর্টারের নাম 












