ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০ রোজার মধ্যে পোশাক শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের দাবি ইসলামী আন্দোলনের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পোশাক শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস নিয়ে সব ধরনের অনিশ্চয়তা দূর করার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। উৎসবের আগে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে কোনো ধরনের টালবাহানা বা ছলচাতুরী বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি। আগামী ২০ রমজানের মধ্যে শ্রমিকদের যাবতীয় পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।

শনিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো পোশাক খাত। অথচ এই খাতের শ্রমিকরা দিন-রাত হাড়ভাঙা পরিশ্রম করলেও ঈদের সময় তাদের বেতন-বোনাস পাওয়া নিয়ে প্রতি বছরই এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়। শ্রমিকদের ঘাম ঝরানো উপার্জনে মালিকরা বিত্ত-বৈভবের মালিক হলেও, ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে তাদের অনীহা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিবৃতিতে মাওলানা আতাউর রহমান আরও উল্লেখ করেন, প্রতি বছর ঈদ এলেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেওয়ার নাম করে মালিকপক্ষ রাষ্ট্রের কাছ থেকে নানা সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে। এবারও বিজিএমইএ-র পক্ষ থেকে নগদ প্রণোদনার দাবি তোলা হয়েছে। দেশের অন্যতম লাভজনক একটি খাতের মালিকরা শ্রমিকদের স্বার্থকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের ফায়দা লোটার যে সংস্কৃতি গড়ে তুলেছেন, তাকে একটি অশুভ লক্ষণ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।

ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়, শ্রমিকদের ঈদ আনন্দ যেন কোনোভাবেই ম্লান না হয়। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ২০ রোজার মধ্যে সকল পোশাক শ্রমিকের বকেয়া বেতন ও পূর্ণ বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সরকারকে কার্যকর ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরাইলি হামলায় ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে ৪০ ছাত্রী নিহত: শোকের ছায়া

২০ রোজার মধ্যে পোশাক শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের দাবি ইসলামী আন্দোলনের

আপডেট সময় : ০৪:২৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পোশাক শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস নিয়ে সব ধরনের অনিশ্চয়তা দূর করার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। উৎসবের আগে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে কোনো ধরনের টালবাহানা বা ছলচাতুরী বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি। আগামী ২০ রমজানের মধ্যে শ্রমিকদের যাবতীয় পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।

শনিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো পোশাক খাত। অথচ এই খাতের শ্রমিকরা দিন-রাত হাড়ভাঙা পরিশ্রম করলেও ঈদের সময় তাদের বেতন-বোনাস পাওয়া নিয়ে প্রতি বছরই এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়। শ্রমিকদের ঘাম ঝরানো উপার্জনে মালিকরা বিত্ত-বৈভবের মালিক হলেও, ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে তাদের অনীহা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিবৃতিতে মাওলানা আতাউর রহমান আরও উল্লেখ করেন, প্রতি বছর ঈদ এলেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেওয়ার নাম করে মালিকপক্ষ রাষ্ট্রের কাছ থেকে নানা সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে। এবারও বিজিএমইএ-র পক্ষ থেকে নগদ প্রণোদনার দাবি তোলা হয়েছে। দেশের অন্যতম লাভজনক একটি খাতের মালিকরা শ্রমিকদের স্বার্থকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের ফায়দা লোটার যে সংস্কৃতি গড়ে তুলেছেন, তাকে একটি অশুভ লক্ষণ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।

ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়, শ্রমিকদের ঈদ আনন্দ যেন কোনোভাবেই ম্লান না হয়। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ২০ রোজার মধ্যে সকল পোশাক শ্রমিকের বকেয়া বেতন ও পূর্ণ বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সরকারকে কার্যকর ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।