ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

আফগান সীমান্তে যুদ্ধের দামামা: সামরিক শক্তিতে পাকিস্তানের ধারেকাছেও নেই আফগানিস্তান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। উভয় পক্ষ থেকেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এ ঘোষণার পর প্রশ্ন উঠেছে, যুদ্ধাবস্থার মুখে থাকা এই দুই দেশের সামরিক সক্ষমতা আসলে কতটুকু?

লন্ডন-ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, সামরিক শক্তির দিক থেকে আফগানিস্তানের তুলনায় পাকিস্তান অনেক বেশি শক্তিশালী। ইসলামাবাদ তার প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদার চীনের কাছ থেকে নিয়মিত যুদ্ধ সরঞ্জাম সংগ্রহ করে নিজেদের সামরিক শক্তি ক্রমাগত বৃদ্ধি করেছে। এছাড়াও, পাকিস্তান তার পারমাণবিক কর্মসূচিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে। একইসঙ্গে দেশটির নৌ ও বিমান বাহিনীকেও আধুনিকীকরণের মাধ্যমে সামরিক সক্ষমতাকে আরও জোরদার করা হয়েছে, যা আফগানিস্তানের বর্তমান সামরিক কাঠামোর তুলনায় বহু এগিয়ে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

আফগান সীমান্তে যুদ্ধের দামামা: সামরিক শক্তিতে পাকিস্তানের ধারেকাছেও নেই আফগানিস্তান

আপডেট সময় : ০৩:২০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। উভয় পক্ষ থেকেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এ ঘোষণার পর প্রশ্ন উঠেছে, যুদ্ধাবস্থার মুখে থাকা এই দুই দেশের সামরিক সক্ষমতা আসলে কতটুকু?

লন্ডন-ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, সামরিক শক্তির দিক থেকে আফগানিস্তানের তুলনায় পাকিস্তান অনেক বেশি শক্তিশালী। ইসলামাবাদ তার প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদার চীনের কাছ থেকে নিয়মিত যুদ্ধ সরঞ্জাম সংগ্রহ করে নিজেদের সামরিক শক্তি ক্রমাগত বৃদ্ধি করেছে। এছাড়াও, পাকিস্তান তার পারমাণবিক কর্মসূচিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে। একইসঙ্গে দেশটির নৌ ও বিমান বাহিনীকেও আধুনিকীকরণের মাধ্যমে সামরিক সক্ষমতাকে আরও জোরদার করা হয়েছে, যা আফগানিস্তানের বর্তমান সামরিক কাঠামোর তুলনায় বহু এগিয়ে।