ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের ওপর পদত্যাগের চাপ ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। উপনির্বাচনে লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহামের বড় জয়ের পর স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা মনে করছেন, দলের ভেতর নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি জোরালো হচ্ছে এবং স্টারমার নিজেও এখন তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্প এক বার্তায় স্টারমারের অভিবাসন ও জ্বালানি নীতির কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্যর্থ হয়েছেন এবং তাঁর পদত্যাগ করা উচিত। তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহে জি-৭ সম্মেলনে দুই নেতার দেখা হলেও এরপর তাঁদের মধ্যে আর কোনো কথা হয়নি।
বাণিজ্যমন্ত্রী পিটার কাইল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা বিচার-বিশ্লেষণ করছেন। স্টারমার এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করার কথা বললেও দলের ভেতর থেকে তাঁর পদত্যাগের একটি সময়সূচী ঘোষণার দাবি উঠছে। লেবার পার্টির ভবিষ্যৎ এবং দেশের স্বার্থ বিবেচনায় স্টারমার খুব শীঘ্রই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 
























