ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পশ্চিমা ও জায়নবাদী কৌশলের ব্যর্থতা: ইরানের টিকে থাকা ও ইসরায়েলের পরাজয়

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ দৃশ্যমান হচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও জায়নবাদী তাত্ত্বিকদের করা পূর্ববর্তী ভবিষ্যৎবাণীগুলো এখন বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়েছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের কলামিস্ট ব্রেট স্টিফেনসের মতো লেখকরা একসময় ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন বা দেশটিকে দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়ার যে নীলনকশা এঁকেছিলেন, তা কার্যত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল ও তার মিত্ররা ইরানকে অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে পঙ্গু করার যে পরিকল্পনা করেছিল, তা সফল হয়নি। বরং তেহরান তার অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রেখে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছে। স্টিফেনসের কলামে বর্ণিত ইরানের তেল টার্মিনাল দখল বা রাষ্ট্র পতনের মতো চরমপন্থী কল্পনাগুলো এখন কেবলই তাত্ত্বিক বিভ্রান্তি হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে, মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির ভারসাম্য পরিবর্তনে ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ হিসেবে টিকে রয়েছে এবং ইসরায়েলের আগ্রাসী পরিকল্পনাগুলো মুখ থুবড়ে পড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় আহত শিবির নেতা সালাউদ্দিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর

পশ্চিমা ও জায়নবাদী কৌশলের ব্যর্থতা: ইরানের টিকে থাকা ও ইসরায়েলের পরাজয়

আপডেট সময় : ১০:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ দৃশ্যমান হচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও জায়নবাদী তাত্ত্বিকদের করা পূর্ববর্তী ভবিষ্যৎবাণীগুলো এখন বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়েছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের কলামিস্ট ব্রেট স্টিফেনসের মতো লেখকরা একসময় ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন বা দেশটিকে দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়ার যে নীলনকশা এঁকেছিলেন, তা কার্যত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল ও তার মিত্ররা ইরানকে অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে পঙ্গু করার যে পরিকল্পনা করেছিল, তা সফল হয়নি। বরং তেহরান তার অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রেখে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছে। স্টিফেনসের কলামে বর্ণিত ইরানের তেল টার্মিনাল দখল বা রাষ্ট্র পতনের মতো চরমপন্থী কল্পনাগুলো এখন কেবলই তাত্ত্বিক বিভ্রান্তি হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে যে, মধ্যপ্রাচ্যে শক্তির ভারসাম্য পরিবর্তনে ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ হিসেবে টিকে রয়েছে এবং ইসরায়েলের আগ্রাসী পরিকল্পনাগুলো মুখ থুবড়ে পড়েছে।