ঢাকা ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

রোহিঙ্গাদের ওপর নতুন করে বর্বরতা: আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে ১৭০ জনকে হত্যার অভিযোগ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নতুন করে ভয়াবহ নির্যাতনের তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আরাকান আর্মির হাতে অন্তত ১৭০ জন রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। ২০২৪ সালের মে মাসে বুথিডং শহরের কাছে হোয়ার সিরি গ্রামে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে, যেখানে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পরোক্ষ উস্কানি ও সংশ্লিষ্টতা ছিল। সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক রিক্রুট করার চেষ্টা করলে আরাকান আর্মির সঙ্গে তাদের জাতিগত সংঘাতের সৃষ্টি হয়। অনেক ক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগও উঠেছে মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে, তবে তথ্যের সীমাবদ্ধতার কারণে তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

দীর্ঘ এক বছর পর এই নৃশংসতার তথ্য প্রকাশ্যে আসার কারণ হিসেবে সাক্ষীদের ওপর আরাকান আর্মির হুমকির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, সত্য আড়াল করতে প্রত্যক্ষদর্শীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এই প্রতিবেদনটি মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধ এবং সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার চরম সংকটকে আবারও বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিজিটাল কারা ব্যবস্থাপনায় নতুন যুগ, মুন্সিগঞ্জে চালু দেশের প্রথম ‘ক্যাশলেস কারাগার’

রোহিঙ্গাদের ওপর নতুন করে বর্বরতা: আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে ১৭০ জনকে হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নতুন করে ভয়াবহ নির্যাতনের তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আরাকান আর্মির হাতে অন্তত ১৭০ জন রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। ২০২৪ সালের মে মাসে বুথিডং শহরের কাছে হোয়ার সিরি গ্রামে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে, যেখানে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পরোক্ষ উস্কানি ও সংশ্লিষ্টতা ছিল। সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক রিক্রুট করার চেষ্টা করলে আরাকান আর্মির সঙ্গে তাদের জাতিগত সংঘাতের সৃষ্টি হয়। অনেক ক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগও উঠেছে মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে, তবে তথ্যের সীমাবদ্ধতার কারণে তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

দীর্ঘ এক বছর পর এই নৃশংসতার তথ্য প্রকাশ্যে আসার কারণ হিসেবে সাক্ষীদের ওপর আরাকান আর্মির হুমকির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, সত্য আড়াল করতে প্রত্যক্ষদর্শীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এই প্রতিবেদনটি মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধ এবং সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার চরম সংকটকে আবারও বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে।