ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ইলিয়াস আলী গুমের নেতৃত্বে ছিলেন জিয়াউল আহসান: ট্রাইব্যুনালে দেহরক্ষীর চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এম ইলিয়াস আলীকে গুম করার ঘটনায় বরখাস্তকৃত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য মিলেছে। জিয়াউল আহসানের সাবেক দেহরক্ষী ও সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস গতকাল ট্রাইব্যুনাল-১-এ হাজির হয়ে এই চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি প্রদান করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

জবানবন্দিতে ইমরুল কায়েস জানান, ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল তৎকালীন র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল মহাখালী ফ্লাইওভার এলাকায় অভিযানে যায়। তিনি জানান, জিয়াউল আহসান গাড়িতে বসে অনবরত ফোনে কথা বলছিলেন এবং টার্গেটের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। পরবর্তীতে ছুটিতে থাকা অবস্থায় ইমরুল গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, ওই এলাকা থেকেই বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহরণ করা হয়েছে।

সাক্ষী আরও উল্লেখ করেন যে, ঘটনার পর র‍্যাব সদর দপ্তরের পরিবেশ ছিল থমথমে। তিনি জানতে পারেন, অপরাধের প্রমাণ মুছে ফেলতে জিয়াউল আহসান নিজেই সিসিটিভি ফুটেজ এবং অস্ত্রের ইন-আউট রেজিস্টার ধ্বংস করেছিলেন। জবানবন্দিতে তৎকালীন সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের সাথে জিয়াউল আহসানের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের বিষয়টিও উঠে আসে। শুনানির সময় অভিযুক্ত জিয়াউল আহসানকে কড়া নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় হাজির রাখা হয়েছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেকর্ড ১৫ সেভ: ‘কুরাসাও মহাপ্রাচীর’ এলয় রুমের বিশ্বরেকর্ড

ইলিয়াস আলী গুমের নেতৃত্বে ছিলেন জিয়াউল আহসান: ট্রাইব্যুনালে দেহরক্ষীর চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি

আপডেট সময় : ০৯:০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এম ইলিয়াস আলীকে গুম করার ঘটনায় বরখাস্তকৃত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য মিলেছে। জিয়াউল আহসানের সাবেক দেহরক্ষী ও সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস গতকাল ট্রাইব্যুনাল-১-এ হাজির হয়ে এই চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি প্রদান করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

জবানবন্দিতে ইমরুল কায়েস জানান, ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল তৎকালীন র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল মহাখালী ফ্লাইওভার এলাকায় অভিযানে যায়। তিনি জানান, জিয়াউল আহসান গাড়িতে বসে অনবরত ফোনে কথা বলছিলেন এবং টার্গেটের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। পরবর্তীতে ছুটিতে থাকা অবস্থায় ইমরুল গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, ওই এলাকা থেকেই বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহরণ করা হয়েছে।

সাক্ষী আরও উল্লেখ করেন যে, ঘটনার পর র‍্যাব সদর দপ্তরের পরিবেশ ছিল থমথমে। তিনি জানতে পারেন, অপরাধের প্রমাণ মুছে ফেলতে জিয়াউল আহসান নিজেই সিসিটিভি ফুটেজ এবং অস্ত্রের ইন-আউট রেজিস্টার ধ্বংস করেছিলেন। জবানবন্দিতে তৎকালীন সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের সাথে জিয়াউল আহসানের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের বিষয়টিও উঠে আসে। শুনানির সময় অভিযুক্ত জিয়াউল আহসানকে কড়া নিরাপত্তায় ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় হাজির রাখা হয়েছিল।