দীর্ঘ দেড় দশকের একপাক্ষিক ও দিল্লিকেন্দ্রিক নীতি পরিহার করে বাংলাদেশ এখন আত্মমর্যাদাশীল পররাষ্ট্রনীতির পথে হাঁটছে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে নতুন ধারার সূচনা করেছিলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার তা আরও সুসংহত করছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে এই নতুন কূটনৈতিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে ভারসাম্যপূর্ণ ও জাতীয় স্বার্থনির্ভর পররাষ্ট্রনীতি প্রবর্তন করেছিলেন, বর্তমান সরকার সেই আদর্শকেই পুনরুজ্জীবিত করছে। দীর্ঘ সময় ভারতের ওপর অতি-নির্ভরশীলতার কারণে বাংলাদেশের নিজস্ব মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছিল। তবে এখন মালয়েশিয়া ও চীনের মতো দেশগুলোর সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন এবং মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ তার হারানো গৌরব ফিরে পাচ্ছে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ও উন্নয়ন অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যেই এই নতুন পথচলা শুরু হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























