ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

খুবিসাসের বর্ণাঢ্য আয়োজনে ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রত্যয়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (খুবিসাস) তাদের গৌরবময় ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপন করেছে। বুধবার (তারিখ উল্লেখ করা যেতে পারে, যদি জানা থাকে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সংগঠনটির অগ্রযাত্রা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম। তিনি তাঁর বক্তব্যে তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেন। “সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা বারবার যাচাই করা অপরিহার্য। ভুল তথ্য যেন কারও হয়রানির কারণ না হয়, সেদিকে সাংবাদিকদের সজাগ থাকতে হবে,”—এই কথা বলে তিনি ফ্যাক্টচেকিংয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। একই সাথে, তিনি সাংবাদিকদের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান।

খুবিসাস-এর সদস্যরা জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি কেবল সংবাদ পরিবেশনের মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখেনি, বরং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মানদণ্ড তৈরি, শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করা এবং সমাজের প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতা পালনের লক্ষ্য নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার কোনো নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম না থাকার সময়ে যাত্রা শুরু করে খুবিসাস। তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী, শিক্ষার্থীদের মতামত ও দাবি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক সংস্কৃতিকে গণমাধ্যমে যথাযথভাবে তুলে ধরা।

খুবিসাস-এর সভাপতি আলকামা রমিন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমাদের গৌরবময় ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। পাঁচ বছর আগে এই সমিতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা একটি শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। আজ আমরা সেই যাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করেছি। খুবিসাস সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ, উন্নয়ন এবং একটি জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় গঠনে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম বলেন, “ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং সপ্তম বর্ষে পদার্পণ আমাদের সবার জন্য এক আনন্দের মুহূর্ত। নানা চড়াই-উতরাই এবং প্রতিকূলতা অতিক্রম করে সংগঠনটি আজকের এই অবস্থানে এসে পৌঁছেছে। আমি বিশ্বাস করি, আগামী দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে আমরা আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হব।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুনুর রশিদ খান। এছাড়াও, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মুহাম্মদ নুরুন্নবী, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ নাজমুল সাদাত, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক সারা মনামী হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনগরে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধ: ছুরিকাঘাতে হিফজ বিভাগের ছাত্র নিহত

খুবিসাসের বর্ণাঢ্য আয়োজনে ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রত্যয়

আপডেট সময় : ১১:২৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (খুবিসাস) তাদের গৌরবময় ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপন করেছে। বুধবার (তারিখ উল্লেখ করা যেতে পারে, যদি জানা থাকে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সংগঠনটির অগ্রযাত্রা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম। তিনি তাঁর বক্তব্যে তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেন। “সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা বারবার যাচাই করা অপরিহার্য। ভুল তথ্য যেন কারও হয়রানির কারণ না হয়, সেদিকে সাংবাদিকদের সজাগ থাকতে হবে,”—এই কথা বলে তিনি ফ্যাক্টচেকিংয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। একই সাথে, তিনি সাংবাদিকদের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান।

খুবিসাস-এর সদস্যরা জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি কেবল সংবাদ পরিবেশনের মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখেনি, বরং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মানদণ্ড তৈরি, শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বরকে শক্তিশালী করা এবং সমাজের প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতা পালনের লক্ষ্য নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার কোনো নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম না থাকার সময়ে যাত্রা শুরু করে খুবিসাস। তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী, শিক্ষার্থীদের মতামত ও দাবি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক সংস্কৃতিকে গণমাধ্যমে যথাযথভাবে তুলে ধরা।

খুবিসাস-এর সভাপতি আলকামা রমিন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমাদের গৌরবময় ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। পাঁচ বছর আগে এই সমিতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা একটি শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। আজ আমরা সেই যাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করেছি। খুবিসাস সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ, উন্নয়ন এবং একটি জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয় গঠনে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম বলেন, “ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং সপ্তম বর্ষে পদার্পণ আমাদের সবার জন্য এক আনন্দের মুহূর্ত। নানা চড়াই-উতরাই এবং প্রতিকূলতা অতিক্রম করে সংগঠনটি আজকের এই অবস্থানে এসে পৌঁছেছে। আমি বিশ্বাস করি, আগামী দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে আমরা আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হব।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুনুর রশিদ খান। এছাড়াও, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মুহাম্মদ নুরুন্নবী, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ নাজমুল সাদাত, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক সারা মনামী হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।