ঢাকা ১২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সৌদির কড়াকড়ি: বাংলাদেশসহ ৪০ দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানি নিষিদ্ধ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরব তাদের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশসহ মোট ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। এই কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি, আরও ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট কিছু শহর বা এলাকা থেকেও আংশিক আমদানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। দেশটির ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি (SFDA) এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এবং রোগতাত্ত্বিক হালনাগাদের ভিত্তিতে নিষিদ্ধ ও সীমিত দেশগুলোর তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞাগুলোর মধ্যে কিছু ২০০৪ সাল থেকেই কার্যকর রয়েছে, আবার কিছু সাম্প্রতিক ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে যুক্ত হয়েছে। কর্তৃপক্ষের মতে, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো যেকোনো সম্ভাব্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ করা এবং দেশের খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সৌদির কড়াকড়ি: বাংলাদেশসহ ৪০ দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানি নিষিদ্ধ

আপডেট সময় : ১১:২৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সৌদি আরব তাদের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশসহ মোট ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। এই কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি, আরও ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট কিছু শহর বা এলাকা থেকেও আংশিক আমদানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। দেশটির ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি (SFDA) এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এবং রোগতাত্ত্বিক হালনাগাদের ভিত্তিতে নিষিদ্ধ ও সীমিত দেশগুলোর তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞাগুলোর মধ্যে কিছু ২০০৪ সাল থেকেই কার্যকর রয়েছে, আবার কিছু সাম্প্রতিক ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে যুক্ত হয়েছে। কর্তৃপক্ষের মতে, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো যেকোনো সম্ভাব্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ করা এবং দেশের খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখা।