ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয়ে মসজিদ সিল, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল ক্যাম্পাস

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত ঐতিহাসিক লাল বড়দারি ভবনটি হঠাৎ করেই প্রশাসন কর্তৃক সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। এই ভবনের ভেতরেই ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র মসজিদ, যা রমজান মাস শুরু হওয়ার পর থেকে বন্ধ থাকায় মুসলিম শিক্ষার্থীরা নামাজ আদায় করতে পারছেন না। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। ছাত্রসংগঠনগুলোর অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে এই ভবনটিতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।

রোববার ও সোমবার মধ্যরাতে সমাজবাদী ছাত্রসভা (এসসিএস), জাতীয় ছাত্র ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (এনএসইউআই) এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ)-এর মতো ছাত্রসংগঠনগুলো ভবনের বাইরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে। ছাত্রসংগঠনগুলোর মূল অভিযোগ হলো, পবিত্র রমজান মাসে মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অধিকার খর্ব করার উদ্দেশ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে মসজিদটি সিল করে দিয়েছে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মসজিদ সংবলিত ভবনটির অবকাঠামো অত্যন্ত জরাজীর্ণ এবং এটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তাই নিরাপত্তা বিবেচনা করে ভবনটি সিলগালা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই একতরফা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, লাল বড়দারি ভবনটি প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো এবং কয়েক দশক ধরে মুসলিম শিক্ষার্থীরা এখানকার মসজিদে নিয়মিত নামাজ আদায় করে আসছেন। তাদের অভিযোগ, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই মসজিদের ফটক ঢালাই করে সিল করে দেওয়া হয়েছে এবং কোনো প্রকার আলোচনা ছাড়াই ভবনের চারপাশে বেড়া ও মেরামতের কাজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

বিক্ষোভ চলাকালীন ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে, তালাবদ্ধ ভবনের বাইরেই নামাজ আদায় করেন মুসলিম শিক্ষার্থীরা। পুলিশ কর্তৃক বাধা আসার আশঙ্কা এবং শিক্ষার্থীরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ আদায় করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে তিনটি ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিরা, যারা প্রত্যেকেই হিন্দু শিক্ষার্থী, তারা মুসলিম সহপাঠীদের চারপাশে মানব ঢাল তৈরি করে দাঁড়িয়ে থাকেন। সহপাঠীদের জন্য তাদের এই ভ্রাতৃত্ববোধের দৃশ্য সংবলিত ভিডিও স্থানীয় গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। হিন্দু শিক্ষার্থীরা তাদের এই কাজকে ‘গঙ্গা-যমুনা তেহজিব’ অর্থাৎ বহু ধর্মীয় সংস্কৃতির মেলবন্ধন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম শিক্ষার্থীরা শতাব্দীপ্রাচীন এই ভবনের ভেতরের মসজিদে দীর্ঘকাল ধরে নামাজ আদায় করে আসছেন। এসসিএস ছাত্র প্রতিনিধি নবনীত কুমার বলেছেন, রমজানে মুসলিম শিক্ষার্থীরা কোথায় নামাজ পড়বেন, সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা না দিয়েই কর্তৃপক্ষ ভবনটি সিলগালা করে দেয়। জাতীয় ছাত্র ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (এনএসইউআই)-এর জাতীয় সমন্বয়কারী বিশাল সিং বলেন, এই পদক্ষেপ মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “প্রতিদিন যে স্থানে মুসলমানরা নামাজ পড়েন, কোনো ঘোষণা ছাড়াই যদি সেই জায়গাটি সিল করে দেওয়া হয়, তবে তাদের অনুভূতি কেমন হবে?” তিনি আরও জানান, কোনো পূর্ব তথ্য ছাড়াই মসজিদের দরজা ওয়েল্ডিং করে সিল করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ঘটনার পর কিছু ছাত্র ব্যারিকেড সরিয়ে সেখানে রাখা নির্মাণ সামগ্রী বাইরে ফেলে দেয়। পরে পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা নিরাপত্তার বিষয়টি আবারও উল্লেখ করে নির্মাণ সুপারিনটেনডেন্ট ড. শ্যামলেশ বলেন, ভবনটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। লাল বড়দারি ভবনটি সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত এবং যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। তাই ভাঙা দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

একই সময়ে, ভারতে মুসলিম পরিচয়ের কারণে এক নারীকে ত্রাণের কম্বল না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির সাবেক সংসদ সদস্য সুখবীর সিং জৌনপুরিয়ার বিরুদ্ধে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, টঙ্ক-সাওয়াই মাধোপুর কেন্দ্রের সাবেক এই সংসদ সদস্য কম্বল বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত কয়েকজন নারীর মধ্যে কম্বল বিতরণ করছিলেন। এ সময় এক নারী মুসলিম পরিচয় জানালে তাকে সরে যেতে নির্দেশ দেন ওই বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে গালি দেওয়া কোনো নারীকে কম্বল দেওয়া হবে না। এ সময় তিনি আরও বলেন, এটি কোনো সরকারি অনুদান নয়, এটি তার ব্যক্তিগত অনুদান। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রোববার বিকেলে কম্বল বিতরণ কর্মসূচিতে প্রথমে কয়েকজন নারীকে কম্বল দেওয়া হলেও পরে তাদের ধর্মীয় পরিচয় জানার পর কিছু কম্বল ফিরিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনাটি সম্পর্কে রাজস্থান বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা টিকারাম জুলি অভিযোগ করেন, ওই বিজেপি নেতা একজন মুসলিম নারীকে অপমান করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয়ে মসজিদ সিল, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল ক্যাম্পাস

আপডেট সময় : ০৬:১১:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত ঐতিহাসিক লাল বড়দারি ভবনটি হঠাৎ করেই প্রশাসন কর্তৃক সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। এই ভবনের ভেতরেই ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র মসজিদ, যা রমজান মাস শুরু হওয়ার পর থেকে বন্ধ থাকায় মুসলিম শিক্ষার্থীরা নামাজ আদায় করতে পারছেন না। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। ছাত্রসংগঠনগুলোর অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে এই ভবনটিতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।

রোববার ও সোমবার মধ্যরাতে সমাজবাদী ছাত্রসভা (এসসিএস), জাতীয় ছাত্র ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (এনএসইউআই) এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ)-এর মতো ছাত্রসংগঠনগুলো ভবনের বাইরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে। ছাত্রসংগঠনগুলোর মূল অভিযোগ হলো, পবিত্র রমজান মাসে মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অধিকার খর্ব করার উদ্দেশ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে মসজিদটি সিল করে দিয়েছে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মসজিদ সংবলিত ভবনটির অবকাঠামো অত্যন্ত জরাজীর্ণ এবং এটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তাই নিরাপত্তা বিবেচনা করে ভবনটি সিলগালা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই একতরফা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, লাল বড়দারি ভবনটি প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো এবং কয়েক দশক ধরে মুসলিম শিক্ষার্থীরা এখানকার মসজিদে নিয়মিত নামাজ আদায় করে আসছেন। তাদের অভিযোগ, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই মসজিদের ফটক ঢালাই করে সিল করে দেওয়া হয়েছে এবং কোনো প্রকার আলোচনা ছাড়াই ভবনের চারপাশে বেড়া ও মেরামতের কাজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

বিক্ষোভ চলাকালীন ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে, তালাবদ্ধ ভবনের বাইরেই নামাজ আদায় করেন মুসলিম শিক্ষার্থীরা। পুলিশ কর্তৃক বাধা আসার আশঙ্কা এবং শিক্ষার্থীরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ আদায় করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে তিনটি ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিরা, যারা প্রত্যেকেই হিন্দু শিক্ষার্থী, তারা মুসলিম সহপাঠীদের চারপাশে মানব ঢাল তৈরি করে দাঁড়িয়ে থাকেন। সহপাঠীদের জন্য তাদের এই ভ্রাতৃত্ববোধের দৃশ্য সংবলিত ভিডিও স্থানীয় গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। হিন্দু শিক্ষার্থীরা তাদের এই কাজকে ‘গঙ্গা-যমুনা তেহজিব’ অর্থাৎ বহু ধর্মীয় সংস্কৃতির মেলবন্ধন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম শিক্ষার্থীরা শতাব্দীপ্রাচীন এই ভবনের ভেতরের মসজিদে দীর্ঘকাল ধরে নামাজ আদায় করে আসছেন। এসসিএস ছাত্র প্রতিনিধি নবনীত কুমার বলেছেন, রমজানে মুসলিম শিক্ষার্থীরা কোথায় নামাজ পড়বেন, সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা না দিয়েই কর্তৃপক্ষ ভবনটি সিলগালা করে দেয়। জাতীয় ছাত্র ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (এনএসইউআই)-এর জাতীয় সমন্বয়কারী বিশাল সিং বলেন, এই পদক্ষেপ মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “প্রতিদিন যে স্থানে মুসলমানরা নামাজ পড়েন, কোনো ঘোষণা ছাড়াই যদি সেই জায়গাটি সিল করে দেওয়া হয়, তবে তাদের অনুভূতি কেমন হবে?” তিনি আরও জানান, কোনো পূর্ব তথ্য ছাড়াই মসজিদের দরজা ওয়েল্ডিং করে সিল করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ঘটনার পর কিছু ছাত্র ব্যারিকেড সরিয়ে সেখানে রাখা নির্মাণ সামগ্রী বাইরে ফেলে দেয়। পরে পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা নিরাপত্তার বিষয়টি আবারও উল্লেখ করে নির্মাণ সুপারিনটেনডেন্ট ড. শ্যামলেশ বলেন, ভবনটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। লাল বড়দারি ভবনটি সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত এবং যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। তাই ভাঙা দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

একই সময়ে, ভারতে মুসলিম পরিচয়ের কারণে এক নারীকে ত্রাণের কম্বল না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির সাবেক সংসদ সদস্য সুখবীর সিং জৌনপুরিয়ার বিরুদ্ধে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, টঙ্ক-সাওয়াই মাধোপুর কেন্দ্রের সাবেক এই সংসদ সদস্য কম্বল বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত কয়েকজন নারীর মধ্যে কম্বল বিতরণ করছিলেন। এ সময় এক নারী মুসলিম পরিচয় জানালে তাকে সরে যেতে নির্দেশ দেন ওই বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে গালি দেওয়া কোনো নারীকে কম্বল দেওয়া হবে না। এ সময় তিনি আরও বলেন, এটি কোনো সরকারি অনুদান নয়, এটি তার ব্যক্তিগত অনুদান। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রোববার বিকেলে কম্বল বিতরণ কর্মসূচিতে প্রথমে কয়েকজন নারীকে কম্বল দেওয়া হলেও পরে তাদের ধর্মীয় পরিচয় জানার পর কিছু কম্বল ফিরিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনাটি সম্পর্কে রাজস্থান বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা টিকারাম জুলি অভিযোগ করেন, ওই বিজেপি নেতা একজন মুসলিম নারীকে অপমান করেছেন।