ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

শারীরিকভাবে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) এক উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জড ডেভেলাপমেন্ট ফাউন্ডেশন (পিডিএফ)-এর সদস্যদের জন্য শিক্ষা বৃত্তির সংখ্যা পূর্বের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি করে ১৫ জনে উন্নীত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য আশার আলো জাগিয়েছে এবং তাদের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই ইতিবাচক পদক্ষেপকে শিক্ষার্থীরা এবং সংশ্লিষ্ট সকলে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, এই ধরনের সহায়তা শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জড শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনে যে প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

এ বিষয়ে রাবি শাখা পিডিএফ-এর সভাপতি ফয়সাল আহমেদ জানান, প্রতি বছরই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই তাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য। পূর্বে মাত্র ৫ জন সদস্যের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা ছিল, যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত সীমিত ছিল। এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপির মাধ্যমে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে বৃত্তি বৃদ্ধির বিষয়টি ছিল অন্যতম প্রধান। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১৫ জন শিক্ষার্থীকে মাসিক বৃত্তি প্রদানের বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম কনক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের সংগঠন পিডিএফ (PDF)-এর সদস্যদের জন্য পূর্বে যে ৫ জনকে অর্থ-সহায়তা প্রদান করা হতো, তা বৃদ্ধি করে ১৫ জনে উন্নীত করার প্রস্তাব মাননীয় উপাচার্য মহোদয় অনুমোদন করেছেন। এর ফলে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়মিত মাসিক আর্থিক সহায়তা পাবে। তিনি আরও যোগ করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীই শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে বিভিন্ন আর্থিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন, যা তাদের নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়াকে চ্যালেঞ্জিং করে তোলে। এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনগরে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধ: ছুরিকাঘাতে হিফজ বিভাগের ছাত্র নিহত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০৫:২৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শারীরিকভাবে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) এক উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জড ডেভেলাপমেন্ট ফাউন্ডেশন (পিডিএফ)-এর সদস্যদের জন্য শিক্ষা বৃত্তির সংখ্যা পূর্বের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি করে ১৫ জনে উন্নীত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য আশার আলো জাগিয়েছে এবং তাদের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই ইতিবাচক পদক্ষেপকে শিক্ষার্থীরা এবং সংশ্লিষ্ট সকলে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, এই ধরনের সহায়তা শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জড শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনে যে প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

এ বিষয়ে রাবি শাখা পিডিএফ-এর সভাপতি ফয়সাল আহমেদ জানান, প্রতি বছরই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই তাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য। পূর্বে মাত্র ৫ জন সদস্যের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা ছিল, যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত সীমিত ছিল। এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপির মাধ্যমে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে বৃত্তি বৃদ্ধির বিষয়টি ছিল অন্যতম প্রধান। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১৫ জন শিক্ষার্থীকে মাসিক বৃত্তি প্রদানের বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম কনক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের সংগঠন পিডিএফ (PDF)-এর সদস্যদের জন্য পূর্বে যে ৫ জনকে অর্থ-সহায়তা প্রদান করা হতো, তা বৃদ্ধি করে ১৫ জনে উন্নীত করার প্রস্তাব মাননীয় উপাচার্য মহোদয় অনুমোদন করেছেন। এর ফলে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়মিত মাসিক আর্থিক সহায়তা পাবে। তিনি আরও যোগ করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীই শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে বিভিন্ন আর্থিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন, যা তাদের নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়াকে চ্যালেঞ্জিং করে তোলে। এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা করেছে।