রমজান মাসের প্রথম জুমাবারেই ফিলিস্তিনিদের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে নামাজ আদায়ে নজিরবিহীন কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। দখলকৃত পশ্চিম তীরের লাখো মানুষের মধ্যে হাতেগোনা কিছু সংখ্যক মুসল্লিকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা শত শত বছরের ফিলিস্তিনি ঐতিহ্য ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, দখলকৃত পশ্চিম তীরে ৩৩ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করেন। অথচ রমজানের প্রথম জুমায় আল-আকসায় নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে মাত্র ১০ হাজার জনকে। পশ্চিম তীরের কালান্দিয়া চেকপয়েন্ট থেকে একজন সাংবাদিক এই সংখ্যাকে ‘সমুদ্রের তুলনায় এক ফোঁটা পানি’র সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, বাস্তবে এর চেয়েও কম সংখ্যক মুসল্লি আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পেরেছেন।
ঐতিহাসিকভাবেই রমজান মাসে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইবাদত করা এবং সময় কাটানো ফিলিস্তিনিদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু এবারের কঠোর বিধিনিষেধ সেই দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যে মারাত্মকভাবে আঘাত হেনেছে। এর ফলে লাখো ফিলিস্তিনি তাদের পবিত্র উপাসনালয়ে প্রবেশাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























