ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

করাচিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: বহুতল ভবন ধসে নিহত ১০, আহত ১২

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের বাণিজ্যিক নগরী করাচিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে একটি তিনতলা আবাসিক ভবনের একাংশ ধসে পড়েছে। এতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং আরও ১২ জন আহত হয়েছেন। বুধবার রাতে সোলজার বাজার এলাকার একটি ভবনের প্রথম তলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে, যার কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে গ্যাস লিককে দায়ী করা হচ্ছে।

উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভবনটির একটি বড় অংশ সম্পূর্ণভাবে ধসে গেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় উদ্ধারকারী দল এবং তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে বেশ কয়েকজন জীবিত ও মৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে সব ধরনের অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, গ্যাস সিলিন্ডার অথবা গ্যাস সাকশন মেশিন থেকে গ্যাস লিকের কারণেই এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে। ঘটনার পরপরই পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং উদ্ধার অভিযান পুরোদমে চলছে।

নিহতদের মধ্যে ১০ বছর বয়সী নাজিয়া এবং ৬০ বছর বয়সী মোহাম্মদ রিয়াজের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও একজনের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। আহতদের মধ্যে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী গুরুতর অবস্থায় রয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও আছে, যাদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, এখনও অন্তত দুজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। তবে ভবনের চারপাশের সরু গলির কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

করাচিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: বহুতল ভবন ধসে নিহত ১০, আহত ১২

আপডেট সময় : ১১:২৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানের বাণিজ্যিক নগরী করাচিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে একটি তিনতলা আবাসিক ভবনের একাংশ ধসে পড়েছে। এতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং আরও ১২ জন আহত হয়েছেন। বুধবার রাতে সোলজার বাজার এলাকার একটি ভবনের প্রথম তলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে, যার কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে গ্যাস লিককে দায়ী করা হচ্ছে।

উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভবনটির একটি বড় অংশ সম্পূর্ণভাবে ধসে গেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় উদ্ধারকারী দল এবং তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে বেশ কয়েকজন জীবিত ও মৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে সব ধরনের অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, গ্যাস সিলিন্ডার অথবা গ্যাস সাকশন মেশিন থেকে গ্যাস লিকের কারণেই এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে। ঘটনার পরপরই পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং উদ্ধার অভিযান পুরোদমে চলছে।

নিহতদের মধ্যে ১০ বছর বয়সী নাজিয়া এবং ৬০ বছর বয়সী মোহাম্মদ রিয়াজের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও একজনের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। আহতদের মধ্যে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী গুরুতর অবস্থায় রয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও আছে, যাদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, এখনও অন্তত দুজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। তবে ভবনের চারপাশের সরু গলির কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।