ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ভূমি নিবন্ধন প্রক্রিয়া: জেরুজালেমের সীমানা সম্প্রসারণের অভিযোগ ইসরাইলের বিরুদ্ধে, এনজিওগুলোর উদ্বেগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ ৫৬ বছর পর অধিকৃত পশ্চিম তীরে ভূমি নিবন্ধন প্রক্রিয়া আবারও শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরাইল। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির বেশ কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। তাদের দাবি, এর ফলে ১৯৬৭ সালের পর প্রথমবারের মতো অধিকৃত জেরুজালেমের সীমানা কার্যত সম্প্রসারিত হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সাল থেকে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে রেখেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আপত্তি উপেক্ষা করে পরবর্তীতে এটিকে নিজেদের ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করে। ফিলিস্তিনিরা বরাবরই পূর্ব জেরুজালেমকে তাদের ভবিষ্যৎ স্বাধীন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে দেখে আসছে।

ইসরাইলি এনজিও ‘ইর আমিম’-এর গবেষক আভিভ তাতারস্কি বার্তা সংস্থা এএফপিকে এই প্রসঙ্গে জানান, ‘এই পদক্ষেপ জেরুজালেমের কার্যত সম্প্রসারণের শামিল।’ তিনি আরও ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘যদি এই বসতিগুলো নির্মিত হয় এবং সেখানে মানুষ বসবাস শুরু করে, তবে যারা সেখানে থাকবেন, তারা জেরুজালেমের বাসিন্দা হিসেবেই থাকবেন।’ এই প্রক্রিয়া নতুন করে ফিলিস্তিনিদের ভূমি হারানোর পাশাপাশি জেরুজালেমের রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের আশঙ্কা তৈরি করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ভূমি নিবন্ধন প্রক্রিয়া: জেরুজালেমের সীমানা সম্প্রসারণের অভিযোগ ইসরাইলের বিরুদ্ধে, এনজিওগুলোর উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০২:০৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘ ৫৬ বছর পর অধিকৃত পশ্চিম তীরে ভূমি নিবন্ধন প্রক্রিয়া আবারও শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরাইল। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির বেশ কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। তাদের দাবি, এর ফলে ১৯৬৭ সালের পর প্রথমবারের মতো অধিকৃত জেরুজালেমের সীমানা কার্যত সম্প্রসারিত হবে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সাল থেকে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে রেখেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আপত্তি উপেক্ষা করে পরবর্তীতে এটিকে নিজেদের ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করে। ফিলিস্তিনিরা বরাবরই পূর্ব জেরুজালেমকে তাদের ভবিষ্যৎ স্বাধীন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে দেখে আসছে।

ইসরাইলি এনজিও ‘ইর আমিম’-এর গবেষক আভিভ তাতারস্কি বার্তা সংস্থা এএফপিকে এই প্রসঙ্গে জানান, ‘এই পদক্ষেপ জেরুজালেমের কার্যত সম্প্রসারণের শামিল।’ তিনি আরও ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘যদি এই বসতিগুলো নির্মিত হয় এবং সেখানে মানুষ বসবাস শুরু করে, তবে যারা সেখানে থাকবেন, তারা জেরুজালেমের বাসিন্দা হিসেবেই থাকবেন।’ এই প্রক্রিয়া নতুন করে ফিলিস্তিনিদের ভূমি হারানোর পাশাপাশি জেরুজালেমের রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের আশঙ্কা তৈরি করছে।