ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

নতুন সরকারের শপথ কাল: ঢাকা আসছেন পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী ও ভারতের লোকসভা স্পিকার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০০:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। এই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণকে সামনে রেখে প্রতিবেশী ও বন্ধুপ্রতিম দেশগুলো থেকে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ঢাকা আসছেন। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে পাকিস্তান সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে আহসান ইকবাল উপস্থিত থাকবেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ পূর্বনির্ধারিত রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণে সশরীরে উপস্থিত হতে না পারলেও তার বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে পরিকল্পনামন্ত্রী এই সফরে আসছেন। ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি পাকিস্তানের সমর্থন এবং আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

এদিকে, বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে কূটনৈতিক ব্যস্ততার কারণে তিনি এই মুহূর্তে ঢাকা সফরে আসতে পারছেন না। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ভারত সফর করবেন। ওইদিন মুম্বাইয়ে দুই নেতার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক এবং পরবর্তীতে নয়াদিল্লিতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মোদির অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তে এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে নয়াদিল্লির প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। নতুন সরকারের এই শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি অতিথিদের আগমনে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর শীর্ষ প্রতিনিধিদের এই উপস্থিতি বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে আঞ্চলিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক সেতুবন্ধনকে আরও শক্তিশালী করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় ২৩১ মাদক গডফাদারের নিয়ন্ত্রণে শতাধিক স্পট, উদ্বেগ বাড়ছে

নতুন সরকারের শপথ কাল: ঢাকা আসছেন পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী ও ভারতের লোকসভা স্পিকার

আপডেট সময় : ০৭:০০:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। এই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণকে সামনে রেখে প্রতিবেশী ও বন্ধুপ্রতিম দেশগুলো থেকে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ঢাকা আসছেন। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে পাকিস্তান সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে আহসান ইকবাল উপস্থিত থাকবেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ পূর্বনির্ধারিত রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণে সশরীরে উপস্থিত হতে না পারলেও তার বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে পরিকল্পনামন্ত্রী এই সফরে আসছেন। ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি পাকিস্তানের সমর্থন এবং আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

এদিকে, বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে কূটনৈতিক ব্যস্ততার কারণে তিনি এই মুহূর্তে ঢাকা সফরে আসতে পারছেন না। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ভারত সফর করবেন। ওইদিন মুম্বাইয়ে দুই নেতার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক এবং পরবর্তীতে নয়াদিল্লিতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মোদির অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তে এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে নয়াদিল্লির প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। নতুন সরকারের এই শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি অতিথিদের আগমনে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর শীর্ষ প্রতিনিধিদের এই উপস্থিতি বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে আঞ্চলিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক সেতুবন্ধনকে আরও শক্তিশালী করবে।