ঢাকা ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ, ভোটাধিকার প্রয়োগে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকা সংলগ্ন ভোটকেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত ও উৎসাহী উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘদিন পর নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়ে সাধারণ মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভিড় জমিয়েছেন। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সকাল ৮টা থেকেই ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা যেতে পারে, যদি জানা থাকে) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটাররা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ১০টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ চলছে।

বিশেষ করে মুহসীন হল সংলগ্ন ইউল্যাব স্কুল কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকেই নারী ও পুরুষ ভোটারদের দীর্ঘ সারি কেন্দ্রগুলোতে দেখা গেছে। একইভাবে চারুকলা অনুষদ, কার্জন হল, উদয়ন স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এনেক্স ভবনে স্থাপিত কেন্দ্রগুলোতেও ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল লক্ষণীয়। অধিকাংশ কেন্দ্রের সামনেই সকাল থেকে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়।

সকালে এনেক্স ভবন কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসিরউদ্দিন শাওন। ভোট দেওয়ার পর তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময় পর নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে আমি আনন্দিত। আশা করি, পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে।” তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থীর সাফল্য কামনা করেন।

নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন রাখতে প্রতিটি কেন্দ্রের সামনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেক ভোটার। তারা জানান, শান্ত পরিবেশে ভোট দিতে পারায় তাদের মধ্যে এক ধরনের আস্থার অনুভূতি তৈরি হয়েছে।

ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসা তরুণ ভোটার সাকিল আহমেদ বলেন, “অনেক দিন পর নিজের ভোট নিজে দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। এই শান্ত ও নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে আস্থা ফিরে এসেছে।”

মুহসীন হল এলাকার এক নারী ভোটার জানান, “সকাল থেকেই কেন্দ্রের পরিবেশ অত্যন্ত সুশৃঙ্খল। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভালো থাকায় আমি নির্বিঘ্নে আমার ভোট দিতে পেরেছি।”

চারুকলা অনুষদ কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর এক নারী ভোটার বলেন, “বহু বছর পর এমন উৎসবমুখর নির্বাচন দেখছি। লাইনে দাঁড়িয়ে সবাই শান্তভাবে ভোট দিচ্ছে – এটাই গণতন্ত্রের আসল সৌন্দর্য।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শব্দের কারসাজি ও ক্ষমতার রাজনীতি: ভাষা যখন নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ, ভোটাধিকার প্রয়োগে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ

আপডেট সময় : ০৮:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকা সংলগ্ন ভোটকেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত ও উৎসাহী উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘদিন পর নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়ে সাধারণ মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভিড় জমিয়েছেন। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সকাল ৮টা থেকেই ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা যেতে পারে, যদি জানা থাকে) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটাররা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ১০টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ চলছে।

বিশেষ করে মুহসীন হল সংলগ্ন ইউল্যাব স্কুল কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকেই নারী ও পুরুষ ভোটারদের দীর্ঘ সারি কেন্দ্রগুলোতে দেখা গেছে। একইভাবে চারুকলা অনুষদ, কার্জন হল, উদয়ন স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এনেক্স ভবনে স্থাপিত কেন্দ্রগুলোতেও ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল লক্ষণীয়। অধিকাংশ কেন্দ্রের সামনেই সকাল থেকে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়।

সকালে এনেক্স ভবন কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসিরউদ্দিন শাওন। ভোট দেওয়ার পর তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময় পর নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে আমি আনন্দিত। আশা করি, পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে।” তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থীর সাফল্য কামনা করেন।

নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন রাখতে প্রতিটি কেন্দ্রের সামনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেক ভোটার। তারা জানান, শান্ত পরিবেশে ভোট দিতে পারায় তাদের মধ্যে এক ধরনের আস্থার অনুভূতি তৈরি হয়েছে।

ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসা তরুণ ভোটার সাকিল আহমেদ বলেন, “অনেক দিন পর নিজের ভোট নিজে দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। এই শান্ত ও নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে পেরে আস্থা ফিরে এসেছে।”

মুহসীন হল এলাকার এক নারী ভোটার জানান, “সকাল থেকেই কেন্দ্রের পরিবেশ অত্যন্ত সুশৃঙ্খল। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভালো থাকায় আমি নির্বিঘ্নে আমার ভোট দিতে পেরেছি।”

চারুকলা অনুষদ কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর এক নারী ভোটার বলেন, “বহু বছর পর এমন উৎসবমুখর নির্বাচন দেখছি। লাইনে দাঁড়িয়ে সবাই শান্তভাবে ভোট দিচ্ছে – এটাই গণতন্ত্রের আসল সৌন্দর্য।”