জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন নিয়ে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খানের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বিষয়ক বক্তব্যকে অসত্য, অগ্রহণযোগ্য ও দুঃখজনক আখ্যায়িত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকা সত্ত্বেও লিখিত অভিযোগ না দিয়ে গণমাধ্যমে এ ধরনের মন্তব্য করা অপ্রত্যাশিত বলে জানিয়েছে তারা।
রোববার জন সংযোগ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে জাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে “জাকসু ইলেকশনে ইঞ্জিনিয়ারিং দেখেছি” শীর্ষক মন্তব্য করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে জাকসু’র পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের সুস্পষ্ট বক্তব্যে জানিয়েছে, জাকসু নির্বাচন নিয়ে অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খানের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বিষয়ক বক্তব্য সত্য নয়। নির্বাচন চলাকালীন সময়ে কোনো প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট বা উপস্থিত শতাধিক গণমাধ্যম প্রতিনিধির কেউই এমন কোনো অভিযোগ উত্থাপন করেননি।
তবে, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে নির্বাচন সংক্রান্ত কয়েকটি অভিযোগ পাওয়া গেলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী উপাচার্য ও জাকসু’র সভাপতি একটি আপিল বোর্ড গঠন করেন। সেই আপিল বোর্ড উত্থাপিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণরূপে নিষ্পত্তি করে সংশ্লিষ্টদের ফলাফল জানিয়ে দেয়। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩২ বছর পর অনুষ্ঠিত জাকসু নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা প্রমাণিত হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রশাসন আরও জানায়, অভিযোগ জানানোর সুস্পষ্ট সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খান কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের না করে গণমাধ্যমে এ ধরনের মন্তব্য করেছেন। এটিকে শুধু অগ্রহণযোগ্যই নয়, অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক বলেও আখ্যায়িত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিবৃতিতে, জাকসু নির্বাচন নিয়ে যেকোনো ধরনের মন্তব্য করার ক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খানসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
রিপোর্টারের নাম 

























