শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর এলাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নড়িয়া থানা পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিএনপির এক নারী কর্মী ‘না ভোট’ নিয়ে প্রচার চালাচ্ছিলেন। এই প্রচারণার বিষয়ে উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মী ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। অভিযোগ রয়েছে, ওই স্ট্যাটাসে বিএনপির নারী কর্মীকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছিল।
দুপুরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোজেশ্বর এলাকায় দু’পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে একে অপরের ওপর চড়াও হয়। এতে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে নড়িয়া থানা পুলিশ, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আহতদের উদ্ধার করে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লাকী দাস বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, সংঘর্ষের ঘটনার পর ভোজেশ্বর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























