ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লার কাঁচাবাজারে সবজির দামে সেঞ্চুরি: নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনে চরম সংকট

টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে দেশের কাঁচাবাজারে সবজির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। কুমিল্লার বিভিন্ন বাজারে অধিকাংশ সবজি এখন ১০০ টাকা বা তারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষকে সংসার চালাতে হিমশিম খাওয়াচ্ছে। দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টির কারণে গোমতী চরসহ খেত ও কৃষিজমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সরবরাহ সংকট, জমির ফসল নষ্ট হওয়া এবং সময়মতো সংগ্রহ ও বাজারে পাঠাতে না পারার কারণে সরবরাহ কমে গেছে, যার ফলে দাম বেড়েছে।

শুক্রবার সকালে কুমিল্লার বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, নগরীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। করলার দাম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ১২০ টাকা, ঝিঙা ১৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ১১০ থেকে ১২০ টাকা এবং শসা ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ প্রতি পিস ১৩০, কাঁকরোল ১২০, টমেটো ১৪০, লম্বা বেগুন ১২০, গোল বেগুন ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

কয়েক দিন আগের তুলনায় এসব সবজির দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। লাউ এক সপ্তাহ আগেও ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। কাঁচা মরিচের দামও আকাশচুম্বী। কয়েক দিন আগে এক কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় কেনা যেত, বর্তমানে প্রতি কেজি সাধারণ মানের কাঁচা মরিচ ৪০০ টাকায় খুচরা বিক্রি হচ্ছে। তবে পেঁপের দাম তুলনামূলক কম রয়েছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টিপাতের কারণে অনেক এলাকায় খেত থেকে সবজি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। বৃষ্টির কারণে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে। ব্যবসায়ীদের আশা, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং বাজারে সরবরাহ বাড়লে সবজির দাম আবারও কমতে শুরু করবে। তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিন বাজারে দামের চাপ আরও বাড়তে পারে। ক্রেতারা জানান, কয়েক দিন আগেও যে সবজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় কিনেছি, এখন সেটি ১০০ থেকে ১৫০ টাকার উপরে। বিশেষ করে কাঁচা মরিচের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদগঞ্জে সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লার কাঁচাবাজারে সবজির দামে সেঞ্চুরি: নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনে চরম সংকট

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

টানা বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে দেশের কাঁচাবাজারে সবজির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। কুমিল্লার বিভিন্ন বাজারে অধিকাংশ সবজি এখন ১০০ টাকা বা তারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষকে সংসার চালাতে হিমশিম খাওয়াচ্ছে। দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টির কারণে গোমতী চরসহ খেত ও কৃষিজমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সরবরাহ সংকট, জমির ফসল নষ্ট হওয়া এবং সময়মতো সংগ্রহ ও বাজারে পাঠাতে না পারার কারণে সরবরাহ কমে গেছে, যার ফলে দাম বেড়েছে।

শুক্রবার সকালে কুমিল্লার বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, নগরীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। করলার দাম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ১২০ টাকা, ঝিঙা ১৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ১১০ থেকে ১২০ টাকা এবং শসা ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ প্রতি পিস ১৩০, কাঁকরোল ১২০, টমেটো ১৪০, লম্বা বেগুন ১২০, গোল বেগুন ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

কয়েক দিন আগের তুলনায় এসব সবজির দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। লাউ এক সপ্তাহ আগেও ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। কাঁচা মরিচের দামও আকাশচুম্বী। কয়েক দিন আগে এক কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় কেনা যেত, বর্তমানে প্রতি কেজি সাধারণ মানের কাঁচা মরিচ ৪০০ টাকায় খুচরা বিক্রি হচ্ছে। তবে পেঁপের দাম তুলনামূলক কম রয়েছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টিপাতের কারণে অনেক এলাকায় খেত থেকে সবজি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। বৃষ্টির কারণে বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে। ব্যবসায়ীদের আশা, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং বাজারে সরবরাহ বাড়লে সবজির দাম আবারও কমতে শুরু করবে। তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিন বাজারে দামের চাপ আরও বাড়তে পারে। ক্রেতারা জানান, কয়েক দিন আগেও যে সবজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় কিনেছি, এখন সেটি ১০০ থেকে ১৫০ টাকার উপরে। বিশেষ করে কাঁচা মরিচের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।